April 15, 2021, 12:05 am

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

রংপুরে তিন দফা দাবিতে বেরোবি উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, March 25, 2021
  • 70 Time View
মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের রায় কার্যকর করাসহ তিন দফা দাবিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বরাবর
স্মারকলিপি

আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় পাওয়ার পরেও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে কয়েকজন কর্মকর্তাকে হয়রানী করা হচ্ছে। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তাদের পদোন্নতির বিষয়ে বিমাতাসূলভ আচরণ করে আসছে। যা কোন ভাবেই কাম্য নয়।

প্রসঙ্গত, প্রশাসনকে সহযোগিতা না করার অভিযোগে ২০১৮ সালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে তিনি মহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করেন। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে জনাব জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ করা হয়েছিল। উক্ত অভিযোগের সাথে জনাব জাহাঙ্গীর আলমের কোন সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি মর্মে দুদক ২১/১০/২০১৮ তারিখে প্রত্যয়নপত্র প্রদান করে।

এমতাবস্থায়, একদিকে তার সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন অপরদিকে দুদক কর্তৃক নির্দোষ প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও তাকে গত ০৮/০৩/২০২১ তারিখে অন্যায় এবং বেআইনীভাবে চাকুরীচ্যুত করা হয়। মহামান্য হাইকোর্টে বিচারাধীন বিষয়ে এ ধরণের সিদ্ধান্ত আইনসিদ্ধ নয় বলে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন মনে করে। একই সাথে উক্ত পদে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ প্রশাসনের অসতোদ্দেশ্যরই বহি:প্রকাশ।

অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এ টি জি এম গোলাম ফিরোজ, উপ-পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার আশরাফুল আলম এবং উপ-রেজিস্ট্রার মোর্শেদ উল আলম রনিকে একেবারেই হয়রানির উদ্দেশ্যে ২৩ জুলাই ২০২০ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। এই বরখাস্তের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করেন তারা। ০৫ অক্টোবর ২০২০ হাইকোর্ট তাদের সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারপূর্বক সকল বেনিফিটসহ যোগদানের নির্দেশনাসহ রুল জারি করে। কিন্ত হাইকোর্টের নির্দেশনা আমলে না নিয়ে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপিল করেন। আপীলের শুনানী গত ০৩.০১.২০২১ তারিখে অনুষ্ঠিত হলে সেখানেও বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক আপীলটি খারিজ হয়ে যায়। কিন্তু তারপরেও এ পর্যন্ত তাদের সাময়িক বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার না করে হয়রানী অব্যাহত রেখেছে।

সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০তারিখে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে ১১ অক্টোবর ২০২০ হাইকোর্টে রীট পিটিশন করেন। ৮ নভেম্বর ২০২০তারিখেহাইকোর্ট তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করে এবং কেন বরখাস্তের আদেশ বাতিল করা হবেনা মর্মে রুল জারি করে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রুলের জবাব না দিয়ে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল আবেদন করেন। আপিল বিভাগ উভয়পক্ষে শুনানী শেষে গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে। এরপরও অদ্যাবধি তার বিষয়ে হাইকোর্টের এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
সহকারি রেজিস্ট্রার মোঃ মোক্তারুল ইসলামকে ২৬ জুন ২০২০ সাজানো মামলায় ২৮ জুন ২০২০ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। ২৭ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মামলার চূড়ান্ত রায়ে তাকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত। অদ্যাবধি তাকে স্বপদে যোগদান করানো হয়নি।

এমতাবস্থায়, ০৮ মার্চ ২০২১ তারিখে অনুষ্ঠিত অফিাসার্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক তিন দফা দাবি উপস্থাপন করা হলো।

অন্যায় ও বেআইনীভাবে চাকুরীচ্যুত নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে স্ব পদে পুনর্বহাল করতে হবে। উক্ত পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞাপ্তি বাতিল করতে হবে।
উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়ন করে সাময়িক বরখাস্তকৃত কর্মকর্তাদের বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাদেরকে কর্মস্থলে যোগদান করাতে হবে।
বিমাতাসূলভ আচরণ না করে প্রাপ্যতা অনুযায়ী সকল কর্মকর্তাদের আপগ্রেডেশন/পদোন্নতি বাস্তবায়ন করতে হবে।

উল্লিখিত দাবিসমূহ আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে বাস্তবায়ন করা না হলে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category