1. [email protected] : Rangpur24.com : Mahfuz prince
রংপুরের দৃষ্টিহীন তারা মিয়ার জীবন সংগ্রাম - rangpur24
মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
Title :
সৈয়দপুর খাতামধুপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ’র ৪৫০ টাকা বিতরণ শুরু গঙ্গাচড়ায় নববধুকে গলাটিপে হত্যা রাণীশংকৈল নেকমরদ পশুর হাটে জরিমানা খেয়ে মুচলেকা দিলেন ইজারাদার র‍্যাব ১৩ এর হাতে ঢাকায় আনসার আল ইসলাম’ এর সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে থানায় মিথ্যা অভিযোগ, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রৌমারী ইউপি চেয়ারম্যানের দূনীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন সৈয়দপুরে মাদক সম্রাট মোনাফসহ ৬ জন আটক সিগারেটসহ সকল তামাকপণ্যের দাম বৃদ্ধি করতে হবে গঙ্গাচড়ায় ৪ তলা বিশিষ্ট আইসিটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থপন  পীরগঞ্জে খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনায় যুবদলের দোয়া মাহফিল

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

রংপুরের দৃষ্টিহীন তারা মিয়ার জীবন সংগ্রাম

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৯৫ Time View

মেশিনে আখ দিচ্ছেন। তারপর মেশিন চালিয়ে আখের রস বের করছেন। গ্লাসে ভরে বিক্রিও করে যাচ্ছেন। তিনি এসব করছেন না দেখে। কারণ- দুই চোখে মো: তারা মিয়া (৪০) কিছু দেখতে পান না। দৃষ্টিহীন তারা মিয়া গাড়িতে আখের বস বিক্রি করেন । তার ওয়ার্ডসহ আশেপাশে ওয়ার্ডে দিনভর বিক্রি করে সেই উপার্জনের টাকায় তার সংসার চলে। তিনি রংপুর সিটি করপোরেশনের ২৪নং ওয়ার্ডের মরহুম রহেদ আলীর ছেলে। তিনি পরিবারের একমাত্র সন্তান। দৃষ্টিহীন হয়েও তিনি ২৫ বছর আগে আখের রসের ব্যবসায় নামেন। তার মা বিভিন্ন সময় চিকিৎসকের কাছে যান ছেলেকে। চিকিৎসা করালেও চোখের আলো আর ফেরেনি তার। সেই থেকে তিনি দৃষ্টিহীন।
তারা মিয়া বলেন, বাবাকে ২৫ বছর আগে হারান। এরপরেই তার চোখে সমস্যা দেখা দেয়। সংসারের হাল ধরতে আখের রসের ব্যবসায় নামেন। এ ব্যবসা থেকে যা আয় হয় তা দিয়ে তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী, ও দুই মেয়ে চলছেন। তার বড় মেয়ে পড়ে নবম শ্রেণিতে আর ছোটি মেয়ে ৫ম শ্রেণিতে। ২ মেয়ের লেখাপড়া খরচও এই ব্যবসার ওপর নির্ভর করে। তিনি বলেন, লকডাউনের কারনে তার বিক্রি কমে আসছে। এখন সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। যতই কষ্ট হউক না কেন তিনি আজীবন আখের রসের ব্যবসা করে প্রমাণ করতে চান দৃষ্টিহীনরা সমাজের বোঝা নয়।
তারা মিয়ার মা নুর জাহান বেগম বলেন, তার দৃষ্টিহীন ছেলেকে নিয়ে অন্যের জমিতে থাকেন। শীতের সময় দুষ্টহীন ছেলে তিলের খাজার ব্যবসা করে। আর গ্রীষ্মের সময় আখের রসের। ছেলের ব্যবসার জন্য গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে আখ নিয়ে আসেন। এই আখ তিনি পরিস্কার করে দেন। ছেলে বিভিন্ন মোড়ে মেশিন নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি খোঁজ খবর রাখেন। মা বলেন, তার ছেলে মেশিন চালাতে দেয় না। আমার জন্য কষ্ট করে নিজেই মেশিন চালায়। এখন তার আখের রস তৈরির মেশিনটির একাংশ ভেঙ্গে গেছে। মেরামতের টাকা পাচ্ছেন না। সরকারি বেসরকারিভাবে মেরামতের জন্য সহযোগিতা করলে তার সংসার চালাতে আরো সুবিধা হবে। আস্তে আস্তে মেশিনটি একবারে ভেঙ্গে গেলে কি হবে বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে মা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 রংপুর২৪ডটকম-সত্য প্রকাশে সারাক্ষণ[email protected]
Md Prince By rangpur24.com