April 12, 2021, 6:37 am

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

রংপুরে এই প্রথম টমেটো প্রসেসিং সেন্টারের কার্যক্রম শুরু

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, March 23, 2021
  • 205 Time View

ভরা মৌসুমে টমেটোর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কর্মসংস্থান তৈরি করতে রংপুরে প্রথমবার টমেটো প্রসেসিং সেন্টারের কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

এতে টমেটো প্রসেসিং করে বানানো হচ্ছে পাল্প বা সস। যা উদ্যেক্তাদের মাধ্যমে স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন কোম্পানিতে বিক্রি করা হবে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বলছে, এতে কৃষকরা লাভবান হবেন, কমবে আমদানি নির্ভরশীলতাও।

প্রতিবছর রংপুর বিভাগে টমেটো উৎপাদন হয় প্রায় দুই লাখ মেট্রিক টন। যা দেশে মোট উৎপাদনের অর্ধেক। কিন্তু টমেটো সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাতের ব্যবস্থা না থাকায় ভরা মৌসুমে লোকসান গুণতে হয় কৃষকদের।

এবার কৃষকদের কথা বিবেচনায় এবং উদ্যোক্তা তৈরির জন্য টমেটো প্রসেসিং সেন্টার চালু করেছে রংপুর কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। সেন্টারে গ্রেডিং মেশিনে টমেটো বাছাইয়ের পর কয়েকধাপ পেরিয়ে বয়লারে হিট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পাল্প বা সস। প্রতিঘণ্টায় আড়াইশো কেজি টমেটো প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব। যা হবে স্বাস্থ্যসম্মত এবং জীবানুমুক্ত।

রংপুর টমেটো প্রসেসিং সেন্টারের অপারেটর শাহ আলম বলেন,’স্বাস্থ্যসম্মত এবং উন্নত মানের টমেটো নেয়া হয়। কোন কেমিক্যাল নাই। শুধুমাত্র প্রিজারবেটিভ দিয়ে প্যাকেজ করা হয়।

উদ্যেক্তারা, কৃষকদের থেকে টমেটো সংগ্রহ করে সেন্টারটিতে প্রসেসিংয়ের পর স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন কোম্পানিতে বিক্রি করবেন সস। উদ্যোক্তারা জানান,’আমাদের উৎপাদিত পণ্য যদি আমাদের কাছ থেকে উপযুক্ত মূল্যে নিয়ে নেয় তবে আমরা অবশ্যই লাভবান হবো।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, এমন উদ্যোগে লোকসানের শঙ্কা কমবে কৃষকদের। রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন,’বর্তমানে টমেটোর বাজার মূল্য অনেক কম । এই প্লান্টটা যদি চলমান থাকে তবে আমার এলাকার কৃষক ভাইয়েরা লাভবান হবেন।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর জানিয়েছে, আমদানি নির্ভরশীলতা কমানো ও কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং উদ্যোক্তা তৈরির জন্য এই কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।রংপুর  কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান,’টমেটো প্রক্রিয়াজাত করবো। আমরা উদ্যোক্তা তৈরী করবো। সেই সঙ্গে আমরা কৃষকদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়াবো। উদ্যোক্তরা এই টমেটো পাল্প অন্য কোম্পনির কাছে বিক্রি করবে।শুধু সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় প্রতিবছর দেশে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন টমেটো আমদানি করতে হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category