• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
ad728

কষ্ট দূর করার জন্য ব্যাটাটা চাকরিতে গেছিল


FavIcon
Rangpur24
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 1, 2026 | সংবাদটি দেখেছেন : 96
ছবির ক্যাপশন : ad728

আমি দিনমজুরের কাজ করি। যে টাকা আয় হয়, থাকবীরা সংসার চলে না। ছেলেটা মাসে টাকা দিত, কোন মতে সরকার চলতো, না খেয়ে থাকতে হতো না, এখন কে আমাকে টাকা দেবে।’ এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রামে জাহাজের বিষাক্ত গ্যাসে নিহত রানার বাবা।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় অ্যাম্বুলেন্সযোগে রানা মিয়ার (২৩) মরদেহ পশ্চিম কুপতলায় তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মরদেহ পৌঁছার পর থেকে নিহতের বাবা -মা এবং স্বজনরা আহাজারি করছেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, রানা মিয়া ২০২১ সালে পশ্চিম কুপতলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০২৩ সালে সাদুল্লাপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল নামের একটি কারখানায় শ্রমিকের চাকরি নেন। রানা মিয়ার বড় ভাই মোনারুল ইসলাম (৩০) চট্টগ্রামের অন্য কোম্পানিতে চাকরি করেন।

রানার মা বলেন, ‘হামারে কষ্ট দূর করার জন্য ব্যাটাটা চাকরিতে গেছিল। ওকে নিয়ে মেলা আশা ছিল। টাকা আয় করবে। ঘর বাড়ি করবে, আমাদের সংসারে আর অভাব থাকবে না। কিন্তু কপালে সইলো না। সবকিছু আশা শেষ হয়ে গেল।’

এদিকে চট্টগ্রামের একই ঘটনায় নিহত হন গাইবান্ধার খোকন মিয়া (২৬)। তার বাড়ি গাইবান্ধার কিশামত হলদিয়া গ্রামে। গ্রামটি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের অন্তর্গত। নিহত খোকন মিয়ার বাবা বর্গাচাষি মো. রানা মিয়া (৫৮)।

...