• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
ad728

ঘোড়াঘাটে আউশের বাম্পার ফলন


FavIcon
Rangpur24
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 1, 2026 | সংবাদটি দেখেছেন : 61
ছবির ক্যাপশন : ad728

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার মাঠজুড়ে এখন পাকা আউশ ধানের সোনালী সমারোহ। দিগন্তজোড়া ধানক্ষেতে ফলনের দৃশ্য দেখে খুশি কৃষকরা। বর্ষার পানিকে কাজে লাগিয়ে আউশ ধানের আবাদ করে এবার প্রত্যাশার চেয়েও ভালো ফলন পেয়েছেন তারা। এতে ভালো ফলনের পাশাপাশি লাভের আশাও দেখছেন কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ঘোড়াঘাট উপজেলায় প্রায় ৫০০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি ধান-৯৮ জাতের আবাদ হয়েছে বেশি। কৃষকদের মতে, ফলন ভালো হওয়া, বাজারে চাহিদা থাকা এবং চাষে তুলনামূলক কম খরচ হওয়ায় এ জাতের প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়ছে।

কৃষকরা জানান, এবার প্রতি বিঘা জমিতে গড়ে ২২ থেকে ২৩ মণ পর্যন্ত ধান উৎপাদন হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে এ ফলন বোরো মৌসুমের আধুনিক জাতের ধানের ফলনের কাছাকাছি। উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম হওয়ায় ভালো ফলনের সঙ্গে লাভও বেশি হচ্ছে।

ঘোড়াঘাটের মাঠে ধান কাটার সময় কৃষক জাহিদুল ইসলাম ও আব্দুল জব্বার জানান, তারা দুজন মিলে তিন বিঘা করে মোট ছয় বিঘা জমিতে আউশ ধানের চাষ করেছেন। প্রতি বিঘায় প্রায় ২৩ মণ করে ফলন পেয়েছেন তারা।

জাহিদুল ও আব্দুল জব্বার বলেন, ফলন ও বাজারমূল্য দুটোই ভালো থাকায় তারা সন্তুষ্ট। আগামী বছর আরও বেশি জমিতে আউশ ধান চাষের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

তাদের মতে, আউশ ধান কাটার পর একই জমিতে ব্রি ধান-৩৪, ব্রি ধান-৯৩সহ আগাম জাতের ধান চাষ করা যায়। এরপর রবি মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের ফসল ও শাকসবজি উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। ফলে একই জমি থেকে বছরে একাধিক ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। এতে কৃষকের আয় বাড়ার পাশাপাশি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহারও নিশ্চিত হচ্ছে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা বলেন, পৌর এলাকার কৃষকরা আউশ ধানের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও বিভিন্ন কলাকৌশল আয়ত্ত করেছেন। বিশেষ করে পাখির আক্রমণ থেকে ধান রক্ষায় নেট ব্যবহারসহ কার্যকর বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান বলেন, কৃষকদের আউশ ধান চাষে উৎসাহিত করতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক, কৃষক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

...