Logo
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন | প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬

রংপুরের মাছুয়া পাড়ায় ত্রান মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

রংপুরের মাছুয়া পাড়ায় ত্রান মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

রংপুর প্রতিনিধি

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বর্তমান সরকার সকল হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অটল রয়েছে। অধিকতর তদন্ত শেষে পুলিশ দ্রুত চার্জশিট দাখিল করবে এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

রবিবার দুপুরে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিহত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ঘটনার আট দিন পর মন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহত পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশের সাম্প্রতিক বিভিন্ন আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে। লামিসা ও নন্দিনী হত্যাকাণ্ডসহ অন্যান্য চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে শেষ করে সরকার বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙার উদ্যোগ নিয়েছে। রংপুরের এই মর্মান্তিক চার খুনের ঘটনাও সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

তিনি বলেন, “নিহতদের পরিবার এবং রংপুরবাসী এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রত্যাশা করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে তদন্তে অগ্রগতি অর্জন করেছে। আমরা আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে এবং অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে।”

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ঘটনাস্থলের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন এবং তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি না করার নির্দেশনা দেন এবং দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও অন্যান্য সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন মহল থেকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে মন্ত্রীর এই পরিদর্শনকে নিহত পরিবারের প্রতি সরকারের সহমর্মিতা ও বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তারা আশা করছেন, দ্রুত তদন্ত শেষ করে দায়ীদের আইনের আওতায় এনে এই বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে।