Logo
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন | প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬

৭ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারলেন না ৩ শিক্ষার্থীকে

৭ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারলেন না ৩ শিক্ষার্থীকে

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার সন্দেশ দীঘি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সাত শিক্ষক থাকার পরও পাস করাতে পারেননি তিন শিক্ষার্থীকে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা যায়।

জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় সন্দেশ দীঘি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অনিয়মিত দুজন এবং নিয়মিত মাত্র তিনজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফলে দেখা যায় নিয়মিত তিনজনের কেউই কৃতকার্য হয়নি। তবে অনিয়মিত ওই দুজন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। ফলে বিদ্যালয়টির এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষার ফলাফল নিয়েও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। নিয়মিতদের মধ্যে মাত্র তিনজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরও একজনও পাস না করায় বিদ্যালয়ের পাঠদান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, অ্যাকাডেমিক তদারকি এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, একজন শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান, মডেল টেস্ট, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস এবং শিক্ষকদের নিবিড় তদারকি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এসব কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়টির শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে বিদ্যালয়টিতে একাধিক শিক্ষক দায়িত্ব পালন করলেও নিয়মিত তিনজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাস না করায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে এত কমসংখ্যক পরীক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও শতভাগ ফেল করার কারণ কী তা খতিয়ে দেখতে শিক্ষা বিভাগের কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইন্তাজুল হক দাবি করে বলেন, ‘গতবারের অনিয়মিত দুজনসহ এবারে মোট পাঁচজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। অনিয়মিত দুজন পাস করেছে কিন্তু নিয়মিত তিনজন পাস করতে পারেনি।’

আটোয়ারী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘যে সব প্রতিষ্ঠানের এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হয়েছে ওই প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে আমরা অতি শিগগিরই একটি মিটিংয়ের ব্যবস্থা করব। শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।’