ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ইউএনও এবং সমাজসেবা অফিসে তালা দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের মধ্যে বিএনপি নেতাকর্মীরাও ছিলেন। এ জেলার ফুলছড়িতেও ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর হয়েছে। এছাড়া মৌলভীবাজারের রাজনগরে নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিয়োগপ্রার্থীরা। এখানে ছাত্রলীগ নেতাকে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে এক ছাত্রদল নেতা পদত্যাগের ঘোষণাও দিয়েছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়োগে বড় দুর্র্নীতি হয়েছে। কোথাও স্বজনপ্রীতি, কোথাও দলীয়করণ হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার অপসারণ দাবি করে বিক্ষোভ করেন উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভকারীরা ফল বাতিল করে নতুন করে নিরপেক্ষ নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার পৌর শহরের বাহিরগোলা জামে মসজিদ মোড় এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে এবং ইউএনও কার্যালয়েও তালা লাগিয়ে দেন তারা। এ সময় ‘অবৈধ নিয়োগ মানি না, মানবো না’, ‘লীগের দোসর ইউএনওকে অপসারণ কর, করতে হবে’ প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হয়। বিক্ষুব্ধরা অভিযোগ করেন, নিরপেক্ষতার বাইরে গিয়ে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের ‘এজেন্ডা’ বাস্তবায়নে কাজ করছেন ইউএনও এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবৈধ নিয়োগ বাতিল করার হুঁশিয়ারি দেন।
গাইবান্ধার ফুলছড়িতেও মঙ্গলবার ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর হয়েছে। কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল, ফুলের টব ও জানালার কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করে নিয়োগপ্রার্থীদের একাংশ। ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছি।’ ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন জয়ের দাবি, ইউএনও যে ফলাফল প্রকাশ করেছেন, এর সঙ্গে ফ্যাসিস্টরা জড়িত।