গাইবান্ধার সেই এসআই নয়ন সাহার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পিবিআই

গাইবান্ধার সেই এসআই নয়ন সাহার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পিবিআই

গাইবান্ধার সেই এসআই নয়ন সাহার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পিবিআই
গাইবান্ধার সেই এসআই নয়ন সাহার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পিবিআই

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
 মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় মাহাফুজুর রহমান নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর ঘটনায় আইজিপির কাছে করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে গাইবান্ধা সদর থানার এসআই নয়ন সাহার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পিবিআই।
বৃহস্পতিবার বিকেলে তিন সাক্ষীসহ অভিযোগকারীর কাছে পিবিআই গাইবান্ধা কার্যালয় হতে(পিবিআই/গাইবান্ধা/৩০৭১) স্মারকে মূলে চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে আগামী বুধবার ৩০ নভেম্বর সাক্ষী ও অভিযোগকারীকে স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়।
গাইবান্ধা শহরের মাস্টারপাড়া এলাকার ওই ওষুধ ব্যবসায়ীর আইজিপির কাছে অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশের মহাপরিদর্শক(আইজিপি) নির্দেশে গাইবান্ধা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন(পিবিআই) এর পুলিশ সুপার এ আর এম আলিফকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ায় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই সাক্ষ্য গ্রহন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্যঃ গত ০৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার এশার নামাজ আদায় করে প্রতিদিনের ন্যায় দোকানে কুরআন তেলাওয়াত করছিলেন মাহফুজ। এমন সময় হঠাৎ সিভিল ড্রেসে ৬/৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা এসে পবিত্র কুরআন ঝাটকা দিয়ে সরিয়ে দেয়। তাদের সালাম দিতেই সালামের প্রতি উত্তরে খারাপ মন্তব্য করে একজন বলেন আমাদের কাছে খবর আছে তোর দোকানে ইয়াবা আছে। এই বলে মাহফুজের দোকান সবাই মিলে তছনছ করে। পরে দোকানে কিছু না পেয়ে তারা ৩ পিস খালি ফেনসিডিলের বোতল, ছোট ছোট ৩ পুরিয়া গাঁজা কোথায় থেকে যেন বের করে মাহাফুজকে প্রথমে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে কোন ধরনের পরীক্ষা না করে ডাক্তারকে বলেন তিনি গাঁজা খেয়েছেন। এরপর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক সরকারি টিকিটে কি জেনো লিখে দেন, তারপর মাহাফুজকে সদর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ সদস্যরা। থানার হাজতখানায় গভীর রাতে এসআই নয়ন সাহা মাহাফুজকে রাগান্বিত ভাষায় বলেন- ‘তুই মদ খেয়েছিস এটা আদালতে স্বীকার করবি তাহলে তোকে ২৫০ টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দিবে। আর এইসব বিষয় নিয়ে কোন ধরনের বাড়াবাড়ি করবি না।
ঘটনার পরদিন শনিবার একটি নন এফেয়ার (গাঁজা সেবনের মামলা) দিয়ে আদালতে প্রেরণ করলে আদালতে বিচারকের কাছে গাঁজা খাওয়ার মাহাফুজ অস্বীকার করলে বিচারক তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। মাহাফুজ টানা ১০ দিন কারাভোগ করে জামিনে মুক্তি লাভ করে।পরে চলতি বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর মাহাফুজ ডাকযোগে আইজিপি বরাবর ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তসহ এসআই নয়ন সাহার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

© All rights reserved ©Live Rangpur By  Rangpur24.com
Desing & Developed BY NewsSKy