1. [email protected] : Rangpur24.com : Mahfuz prince
সাধারণ কাজেও অফুরন্ত সওয়াব - rangpur24
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
Title :
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগিতে মানবতায় মানুষ সংগঠনের ঈদ উপহার ও মাক্স বিতরণ আমরাই পাশে রংপুর গ্রুপের উদ্যোগে তরুণদের দেয়া নতুন জামা পেলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা করোনায় কেউ না খেয়ে মরেনি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী পিছিয়ে গেল বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা মালয়েশিয়ায় ঈদ বৃহস্পতিবার করোনার মধ্যেই নির্বাচন কিনা সিদ্ধান্ত ১৯ মে বিপন্ন কর্মহীন মানুষের মাঝে রংপুর চেম্বারের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ রাণীশংকৈলে আলী আকবর প্রতিবন্ধী স্কুলে ঈদ উপহার বিতরণ করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট সন্দেহ সৈয়দপুরে একই পরিবারের ৪  জন পজিটিভ, বাসা লকডাউন আজ বীরমুক্তিযোদ্ধা ও লালিয়া টেইলার্স এর স্বাত্তাধিকারী মকবুল হোসেনের ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

সাধারণ কাজেও অফুরন্ত সওয়াব

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১
  • ১৫৪ Time View

যথাযথ নিয়ম মেনে কাজটি সম্পাদন করলে তা ইবাদতে পরিণত হতে পারে। জাগতিক এসব কাজ পরকালে পুণ্য অর্জনের কারণ হতে পারে। এখানে এমন কিছু কাজের কথা উল্লেখ করা হলো।

সাধারণ ইবাদতে পরিণত হওয়ার সূত্র : মানুষ অভ্যাসের বশে অথবা জাগতিক চাহিদার ভিত্তিতে যেসব কাজ করে তা নিয়তের কারণে ইবাদত ও আমলে পরিণত হয়। মানুষ যখন তার নিত্যকার বৈধ ও অভ্যাসমূলক কাজে আল্লাহর নৈকট্য লাভের নিয়ত করে, তখন সে কাজের মাধ্যমেও সওয়াবের অধিকারী হতে পারে। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘সব আমলের প্রতিদান নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।’ (বুখারি, হাদিস : ১)

শিক্ষা যখন ইবাদত : মুসলমান হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। এর মানে এই নয় যে জাগতিক জ্ঞান অর্জন করা যাবে না; বরং জাগতিক জ্ঞান অর্জন কার্যক্ষেত্রে অতীব জরুরি। মুসলমানদের বৈষয়িক উন্নতি ও অগ্রগতির স্বার্থে জাগতিক জ্ঞান অর্জন জরুরি। তবে এর পেছনে নেক নিয়ত থাকতে হবে।

যদি কোনো মেডিক্যালের ছাত্র তার অধ্যয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পড়ালেখা করেন, অনুরূপ ইঞ্জিনিয়ারিং বা অন্যান্য শাখার শিক্ষার্থীরা যদি তাদের বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের জ্ঞান দ্বারা ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর সেবা করার নিয়ত করেন, তাহলে তাদের সেই পড়াশোনা ইবাদত হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু কেউ যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া পার্থিব কোনো উদ্দেশ্যে ধর্মীয় জ্ঞানও অর্জন করে, তাহলে জান্নাতে প্রবেশ করা তো দূরের কথা, জান্নাতের সুগন্ধিও সে পাবে না। (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৬৬৪)

এভাবে বিশুদ্ধ নিয়তের মাধ্যমে অভ্যাসমূলক কাজ ইবাদতে রূপান্তরিত হয়।

ঘুম যখন ইবাদত : ঘুম মানুষের চিরায়ত অভ্যাস। বিশুদ্ধ নিয়তের কারণে এই ঘুম ইবাদতে পরিণত হতে পারে। মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) ইয়েমেনের এক সফরে আবু মুসা আশআরি (রা.)-কে জিজ্ঞেস করেন, আপনি কিভাবে কোরআন তিলাওয়াত করেন? আবু মুসা (রা.) জবাবে বলেন, আমি দাঁড়িয়ে, বসে, সওয়ারির পিঠে আরোহী অবস্থায় এবং কিছুক্ষণ পর পর কোরআন তিলাওয়াত করি। জবাব শুনে মুয়াজ (রা.) বলেন, আমি রাতের প্রথম দিকে ঘুমিয়ে পড়ি, তারপর (শেষভাগে কোরআন তিলাওয়াতের জন্য) দাঁঁড়িয়ে যাই। এভাবেই আমি আমার নিদ্রার সময়কেও সালাতে দাঁড়ানোর মতোই সওয়াবের বিষয় মনে করি। (বুখারি, হাদিস : ৪৩৪৪)

খাবার গ্রহণ যখন ইবাদত : বেঁচে থাকার তাগিদে খাবার খেতে হয়। বিশুদ্ধ নিয়তে একজন মুমিন তার এই খাবার গ্রহণকে ইবাদতে পরিণত করতে পারে। এই খাবার খেয়ে দেহে যে শক্তি অর্জন হবে তা যদি আল্লাহর ইবাদতের কাজে ব্যয় করার নিয়ত করে এবং আল্লাহর নামে আহার করে, তাহলে এই খাবার ইবাদতে পরিণত হবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘মুমিনের সব কাজের জন্য প্রতিদান দেওয়া হয়, এমনকি নিজের মুখে খাবারের লোকমা তুলে নেওয়ার সময়েও (তাকে নেকি দেওয়া হয়)।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৫৩১)

পরিবারের জন্য খরচ যখন ইবাদত : স্ত্রী-সন্তান, মা-বাবা, ভাই-বোন ও আত্মীয়-স্বজন সবাইকে নিয়ে আমরা বসবাস করি। তাই পরিবারের জন্য যথাসাধ্য খরচ করতে হয়। কিন্তু পরিবারের ভরণ-পোষণের জন্য যা কিছু ব্যয় করা হয়, এর মাধ্যমেও নেকি অর্জন সম্ভব। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যখন কোনো মুসলমান সওয়াবের আশায় পরিবারের জন্য খরচ করে, তখন তার জন্য সদকা করার সমতুল্য সওয়াব নির্ধারণ করা হয়।’ (মুসলিম, হাদিস : ১০০২)

উপার্জন যখন ইবাদত : জীবিকার জন্য শিক্ষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, ড্রাইভার, মৎসজীবী, নাপিত, কামার, কুমার, মিস্ত্রি, কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর প্রমুখ পেশাজীবী মানুষ অনেক পরিশ্রম করে। তাদের কাজগুলো নিছক কর্তব্য নয়, এর জন্য আল্লাহর কাছে আছে সীমাহীন পুরস্কার। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘একদিন আমরা রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে বসেছিলাম। হঠাৎ আমাদের সামনের দিক থেকে এক যুবকের আগমন ঘটল। আমরা তাকে দেখে বললাম, যদি এই যুবক তার যৌবন, উদ্দীপনা ও শক্তিমত্তা দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করত! (তাহলে কত উত্তম হতো)। বর্ণনাকারী বলেন, রাসুল (সা.) আমাদের কথাবার্তা শুনে বলেন, নিহত হওয়া ছাড়া কি আল্লাহর পথে সংগ্রামের কোনো রাস্তা নেই? যে ব্যক্তি তার মাতা-পিতার জন্য কাজ করে, সে আল্লাহর পথেই কাজ করছে। যে তার পরিবারে জন্য শ্রম ব্যয় করছে, সে আল্লাহর পথেই পরিশ্রম করছে। আর যে ব্যক্তি নিজেকে নিষ্কলুষ রাখার জন্য মেহনত করছে, সে আল্লাহর পথেই মেহনত করছে। কিন্তু যে ব্যক্তি শুধু সম্পদ বৃদ্ধির জন্য পরিশ্রম করে, সে শয়তানের পথে পরিশ্রম করে। (বায়হাকি, শুআবুল ঈমান, হাদিস : ৯৮৯২)

নারীদের গৃহস্থালি কাজ যখন ইবাদত : মুসলিম সমাজে নারীরা ঘরের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন। অক্লান্ত কায়িক পরিশ্রমে গড়ে তোলেন সংসার। বিশুদ্ধ নিয়তের কারণে এই কাজগুলো ইবাদতে পরিণত হতে পারে। একবার উম্মে সালামা (রা.) রাসুল (সা.)-কে বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, (আমার প্রথম স্বামী) আবু সালামার সন্তানদের জন্য আমি খরচ করি, তাতে কি আমি সওয়াব পাব? আমি তাদের এভাবে ছেড়ে দিতে পারি না, তারা তো আমারই সন্তান। রাসুল (সা.) বলেন, ‘হ্যাঁ, তুমি তাদের জন্য যা কিছু দান করবে, তার বিনিময়ে সওয়াব পাবে। (মুসলিম, হাদিস : ১০০১)

এভাবেই বিশুদ্ধ নিয়তের মাধ্যমে অনেক অভ্যাসমূলক কাজ আমল ও ইবাদতে পরিণত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 রংপুর২৪ডটকম-সত্য প্রকাশে সারাক্ষণ[email protected]
Md Prince By rangpur24.com