April 12, 2021, 7:39 am

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

রবি মৌসুমে তিস্তার চরাঞ্চলে প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসি

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, February 27, 2021
  • 108 Time View

চলতি রবি মৌসুমে তিস্তার চরাঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উৎপাদিত কৃষি পণ্য বিক্রয় সহজতর এবং দ্রুত প্রেরণ করা সম্ভব হচ্ছে বলে কৃষকরা ভালো মূল্য পাচ্ছেন। পূর্বের মতো উৎপাদিত পণ্য নিয়ে বিক্রয় অনিশ্চয়তায় ভোগতে হচ্ছে না। অনেকের ফসল ক্ষেতেই বিক্রয় হয়ে যাচ্ছে। নদীর ওপর সেতু নির্মাণ ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কারনে পাল্টে গেছে কৃষকের অনিশ্চয়তা আর দুর্ভোগের চিত্র। এ অবস্থার সুযোগ নিতে এবং  তিস্তার চরের উর্বর পলি জমিতে ফসল বেশী হয় বলে আশপাশের উপজেলার প্রায় অর্ধশত প্রান্তিক কৃষক এসে জমি বর্গা নিয়ে ফসল উৎপাদন করছেন।

উপজেলার প্রায় সকল ইউনিয়নেই রবি মৌসুমে ফসল উৎপাদন হলেও গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের তিস্তার চরে শত শত একর জমিতে বছরে ৩-৪ টি ফসল হয়। উর্বর পলি মাটি হওয়ায় উৎপাদন হয় অনেক বেশী। অসংখ্য প্রান্তিক কৃষক পরিবার এক কাঠা (১০ শতাংশ), দু’কাঠা জমি বর্গা নিয়ে সারা বছর একটার পর একটা ফসল ফলান।

এক কাঠা জমি থেকে একজন কৃষক বছরে প্রায় ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। আশপাশের উপজেলার প্রায় অর্ধশত প্রান্তিক কৃষক গঙ্গাচড়া এলাকায় এসে জমি বর্গা নিয়ে শাক-সবজি চাষাবাদ করছেন। তবে আগে যোগাযোগ ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে উৎপাদিত কৃষি পণ্য বিক্রয়ে কৃষকদের অনিশ্চয়তায় ভুগতে হতো এবং স্থানীয় বাজারে সন্তায় বিক্রি করতে হতো। এতে মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হতেন উৎপাদনকারী প্রান্তিক কৃষকরা। কিন্তু এখন অবস্থা পাল্টেছে।সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন তাই বেশী লাভবান হয়েছেন কৃষকরা। এখন অনেক ব্যবসায়ীরা ছোট-বড় ট্রাক ও পিকআপভ্যান নিয়ে স্থানীয় বাজার থেকে কৃষি পণ্য ক্রয় করে নিয়ে যান।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলায় ৩০০ হেক্টর জমিতে সরিষা, ১৫০ হেক্টর জমিতে ভূট্টা, ১৫০ হেক্টর জমিতে গম, ৩২০ হেক্টর জমিতে আলু, ২৫০ হেক্টর জমিতে বেগুন, ২৭০ হেক্টর জমিতে টমেটো, ৬০ হেক্টর জমিতে ফুল কপি, ৭০ হেক্টর জমিতে বাধাকপি, ১৭০ হেক্টর জমিতে মুলা, ১০০ হেক্টর জমিতে লাল শাক, ৫০ হেক্টর জমিতে পালং শাক, ২৫০ হেক্টর জমিতে শীত লাউ, ১৯৫ হেক্টর জমিতে সীম, ৯০ হেক্টর জমিতে পুঁই শাক, কলমী ও বরবটি, ৩০০ হেক্টর জমিতে মিষ্টিকুমড়া এবং আরো ৪৫ হেক্টর জমিতে উচ্ছে ও করলা চাষ হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তা ডঃ সারোওয়ারুল ইসলাম বলেন, আমাদের মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি অফিসার রয়েছেন। তারা সার্বক্ষণিকভাবে কৃষকদের সহযোগিতা করেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category