1. [email protected] : Rangpur24.com : Mahfuz prince
মহানবী (সা.) বৃষ্টির সময় যে দোয়া পড়তেন - rangpur24
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

মহানবী (সা.) বৃষ্টির সময় যে দোয়া পড়তেন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১
  • ৮৬ Time View

বৃষ্টি আল্লাহর অফুরন্ত রহমতের নিদর্শন। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ দুনিয়ায় কল্যাণ ও রিজিকের ব্যবস্থা করেন। পবিত্র কোরআনের বহু আয়াতে বৃষ্টির উপকারিতা সম্পর্কে আয়াত নাজিল হয়েছে। বৃষ্টি এলে মানুষের মন প্রফুল্ল হয়ে যায়। আল্লাহর রহমতে প্রকৃতিতে প্রকাশ পায় স্বস্তির ছাপ। বৃষ্টির সময় মুমিনের কিছু করণীয় আমল রয়েছে, যার মাধ্যমে একজন মুমিন মহান আল্লাহর এই বিশেষ নিয়ামত যেমন উপভোগ করতে পারবে, তেমনি এই সময়টুকু তার ইবাদতে শামিল হবে। নিম্নে বৃষ্টির দিনে রাসুল (সা.)-এর কিছু আমল তুলে ধরা হলো—

আল্লাহর রহমত কামনা করা : বৃষ্টি একদিকে যেমন রহমতের, আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে আজাবও হতে পারে। এ কারণে রাসুল (সা.) বৃষ্টি দেখলেই মহান আল্লাহর কাছে উপকারী বৃষ্টির জন্য দোয়া করতেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) যখন বৃষ্টি হতো তখন বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা সয়্যিবান নাফিআহ’, (অর্থ : হে আল্লাহ, তুমি এ বৃষ্টিকে প্রবহমান এবং উপকারী করে দাও)। (নাসায়ি, হাদিস : ১৫২৩)

ঝড়ো হাওয়া বইলে আল্লাহকে ভয় করা : রাসুল (সা.) কখনো দমকা হাওয়া ও মেঘের ঘনঘটা দেখলে তাঁর চেহারায় আতঙ্কের ছাপ ফুটে উঠত এবং তিনি আগে-পেছনে উদ্বিগ্ন হয়ে চলাফেরা করতেন। এরপর যখন বৃষ্টি হতো খুশি হয়ে যেতেন, আর তাঁর থেকে এ অস্থিরতা দূর হয়ে যেত। আয়েশা (রা.) বলেন, আমি এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমার আশঙ্কা হয় যে আমার উম্মতের ওপর কোনো ‘আজাব’ এসে পতিত হয় নাকি। তিনি বৃষ্টি দেখলে বলতেন, ‘রহমাতান’ এটা (আল্লাহর) রহমত। (মুসলিম, হাদিস : ১৯৬৯)

তাই বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলে আমরাও ‘রহমাতান’ বলে রাসুল (সা.)-এর এই সুন্নতটি আদায় করতে পারি। অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) আকাশের প্রান্তে মেঘ উঠতে দেখলে যাবতীয় (নফল) ইবাদত ছেড়ে দিতেন, এমনকি তিনি নামাজে থাকলেও। অতঃপর তিনি বলতেন, ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।’ যদি বর্ষা হতো তাহলে বলতেন, ‘হে আল্লাহ, বরকতপূর্ণ ও সুমিষ্ট পানি দান করুন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৫১৯৯)

বৃষ্টির পানি স্পর্শ করা : আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে ছিলাম। এমন সময় বৃষ্টি শুরু হয়। তখন রাসুল (সা.) তাঁর কাপড় খুলে দিলেন। ফলে তাতে বৃষ্টির পানি পৌঁছে। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসুল, এরূপ কেন করলেন? তিনি বলেন, কেননা তা মহান আল্লাহর কাছ থেকে অল্প সময় আগে এসেছে।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৯৬৮)

বৃষ্টির সময় দোয়া করা : বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল হয়। কারণ তা আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমতস্বরূপ। তাই এ সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করা কর্তব্য। রাসুল (সা.) বলেছেন, বৃষ্টির সময়ের দোয়া কবুল হয়ে থাকে। (তাবরানি, হাদিস : ৫৭৫৬)

অতিবৃষ্টি থেকে বাঁচতে দোয়া : অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে আল্লাহর কাছে অতিবৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দোয়া করতে হবে। রাসুল (সা.) একবার অতিবৃষ্টিতে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন, ‘আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা’ অর্থ : হে আল্লাহ, তুমি আমাদের আশেপাশে বৃষ্টি বর্ষণ করো, আমাদের ওপর নয়। (নাসায়ি, হাদিস : ১৫২৭)

উল্লেখ্য, এখানে এটি উদ্দেশ্য নয় যে আমাদের পাশের এলাকা ডুবিয়ে দাও; বরং উদ্দেশ্য হলো, জনবসতিহীন কোথাও বৃষ্টি সরিয়ে নাও।

বৃষ্টি শেষে দোয়া পড়া : বৃষ্টি শেষে রাসুল (সা.) সাহাবায়ে কেরামদের একটি বিশেষ দোয়া পড়ার প্রতি তাগিদ দিয়েছেন, দোয়াটি হলো, ‘মুতিরনা বিফাদলিল্লাহি ওয়া রহমাতিহ’। এর অর্থ হলো, ‘আল্লাহর অনুগ্রহ ও অনুকম্পায় আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।’ (বুখারি, হাদিস : ১০৩৮)

কারণ মক্কার কাফিররা ভাবত আকাশের বিভিন্ন নক্ষত্র আমাদের বৃষ্টি দেয়। অথচ এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। রাসুল (সা.) বৃষ্টি শেষে এই দোয়া পড়ে এ কথার সাক্ষ্য দিতেন যে মহান আল্লাহই আমাদের বৃষ্টি দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 রংপুর২৪ডটকম-সত্য প্রকাশে সারাক্ষণ[email protected]
Md Prince By rangpur24.com