1. [email protected] : Rangpur24.com : Mahfuz prince
ভূরুঙ্গামারীতে দুর্ভোগে বিলুপ্ত ছিটমহলবাসী - rangpur24
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

ভূরুঙ্গামারীতে দুর্ভোগে বিলুপ্ত ছিটমহলবাসী

  • Update Time : রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৫ Time View

ভূরুঙ্গামারীতে বিলুপ্ত ভারতীয় সাহেবগঞ্জ ছিটমহলের লোকজনের চলাচলের জন্য পাথরডুবির টেংরা ছড়ার ওপর নির্মিত সেতুটির সংযোগ সড়ক না থাকায় ওই এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অথচ ছিটমহল বিনিময়ের সময় বাংলাদেশের ভেতরে আসা ছিটমহলগুলোতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও রহস্যজনক কারণে আজও ওই ছিটমহলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নির্মিত সেতুটির সুফল ভোগ করতে পারেননি বিলুপ্ত সাহেবগঞ্জ ছিটমহলের অধিবাসীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সেতুর দু’পাশের জমিগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন হওয়ার ফলে মালিকরা জমি না দেয়ার কারণে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে বিলম্ব হচ্ছে।

২০১৫ সালের ৩১ জুলাই বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় চুক্তির পর কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানচিত্রের সাথে যুক্ত হওয়া বিলুপ্ত ভারতীয় সাহেবগঞ্জ ছিটমহলবাসীর চলাচলের জন্য উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথরডুবি গ্রামের টেংরা ছড়া নালার ওপর সেতুটি নির্মাণ করে এলজিইডি। এই সেতুটির দক্ষিণেই অবস্থিত বিলুপ্ত ভারতীয় সাহেবগঞ্জ ছিটমহল।

কিন্তু সেতুটি নির্মাণ করা হলে আজ অবধি সেতুর দু’পাশে কোনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। এত টাকা খরচ করে সেতু বানিয়ে সেতুর দু’পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এ নিয়ে বিলুপ্ত ওই ছিটমহলবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত সেতুটিতে চলাচলের জন্য সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানান।

ভুরুঙ্গামারী এলজিইডি অফিস জানিয়েছে, ২০১৬ সালের শেষের দিকে প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪ মিটার এবং প্রস্থ প্রায় ৬ মিটার। সেতুটি নির্মাণের প্রায় চার বছর অতিক্রান্ত হলেও এর দু’পাশের সংযোগ সড়ক না থাকায় বিলুপ্ত ছিটমহলের লোকজনের কোনো কাজেই আসছে না। বর্তমানে সেতুর দু’পাশের দুটি সরু আইল দিয়ে কষ্ট করে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে খোঁজ নিতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস ও মমেনা বেগম জানান, ৪-৫ বছর ধরি টেংরা ছড়া নালার উপরত ছোট একনা পুল হইছে। কিন্তু আস্তা নাই, পুলত চাংরা দিয়া উঠা নাগে বাহে। পুলের দুই পাহে আস্তা নাই সাইকল আর মানূষ কোন রহম কষ্ট করি যায়। আস্তা নাই পুল দিয়ে কি হইবে বাহে? এসব কথা বলতে গিয়ে ক্ষোভ ঝরে পড়ে কণ্ঠে। তারা আরো জানান, পুল বানানোর পর অনেক দিন অতিবাহিত হলেও তা দেখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কেউ আসেননি।

বিলুপ্ত ছিটমহলের অধিবাসী সাইফুর রহমান অভিযোগ করেন, সরকারি উদ্যোগ এবং এলাকাবাসীর সাথে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতার কারণেই দীর্ঘদিনেও সেতুর দুই পাশে চলাচলের উপযোগী সংযোগ সড়ক তৈরি করা হয়নি।

পাথর ডুবি ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এরফান আলী বলেন, আমি মাত্র কিছুদিন হলো দায়িত্ব পেয়েছি। খুব শিগগিরই উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলে বিষয়টির সমাধান করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রকৌশলী এন্তাজুর রহমান বলেন, ছিটমহল বিনিময়কালে ওই অঞ্চলের মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ওই এলাকার লোকজন সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য জমি না দেয়ার কারণে সেতুর দুই পাশে সড়ক নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। শিগগিরই এর সমাধান করা হবে বলে তিনি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 রংপুর২৪ডটকম-সত্য প্রকাশে সারাক্ষণ[email protected]
Md Prince By rangpur24.com