1. [email protected] : Rangpur24.com : Mahfuz prince
ভরসা কার্ফ্যু বা কঠোর লকডাউন - rangpur24
মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
Title :
সৈয়দপুর খাতামধুপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ’র ৪৫০ টাকা বিতরণ শুরু গঙ্গাচড়ায় নববধুকে গলাটিপে হত্যা রাণীশংকৈল নেকমরদ পশুর হাটে জরিমানা খেয়ে মুচলেকা দিলেন ইজারাদার র‍্যাব ১৩ এর হাতে ঢাকায় আনসার আল ইসলাম’ এর সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে থানায় মিথ্যা অভিযোগ, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রৌমারী ইউপি চেয়ারম্যানের দূনীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন সৈয়দপুরে মাদক সম্রাট মোনাফসহ ৬ জন আটক সিগারেটসহ সকল তামাকপণ্যের দাম বৃদ্ধি করতে হবে গঙ্গাচড়ায় ৪ তলা বিশিষ্ট আইসিটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থপন  পীরগঞ্জে খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনায় যুবদলের দোয়া মাহফিল

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

ভরসা কার্ফ্যু বা কঠোর লকডাউন

  • Update Time : শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৪১ Time View

বিশ্বের একাধিক দেশে আছড়ে পড়েছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। করোনার দাপটে কার্যত বেসামাল অনেক রাষ্ট্র। বছর ঘুরে গ্রীষ্মের শুরুতে বাংলাদেশেও ফিরে এসেছে বিভীষিকাময় দিনগুলো! শীত মৌসুমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বাংলাদেশে ভ্যাকসিন আসায় খানিকটা বাগে এলেও নতুন করে সংক্রমণ ক্রমশ বাড়ছে। সেইসঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।

বাংলাদেশে রোগসংক্রমণ শনাক্ত হওয়া এবং মৃতের সংখ্যা বাড়ার তথ্যই বলছে- করোনাগ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে পরীক্ষা বিবেচনায় আক্রান্তের হার ২ শতাংশের কাছাকাছি নেমে এলেও এই হার এখন প্রায় ২৩ শতাংশের ঊর্ধ্বে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন- এটি মহামারি ভাইরাসের নতুন ঢেউয়ের ইঙ্গিত। এই মুহূর্তে যেসব স্থান থেকে করোনা সৃষ্টি হচ্ছে সেসব স্থান চিহ্নিত করে করোনার উৎপত্তির উৎস ঠেকাতে না পারলে দ্রুতই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে পরিস্থিতি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রূপ বদলানো করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন। বাংলাদেশে করোনার ব্রিটেন স্ট্রেইনের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেইনও শনাক্ত করা গেছে। যেগুলোর সংক্রমণক্ষমতা ও মৃত্যুহার দুটোই অনেক বেশি। এর দাপটে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভাইরাসের গতিবিধি লক্ষ্য রাখা খুবই কঠিন। সে বারবার চেঞ্জ করে তার চরিত্র। যখনই সে বাধা পায়, তখনই সে তার রূপ চেঞ্জ করে। গতবারের করোনাভাইরাস (চীন ভ্যারিয়েন্ট) আর এবারেরটা আফ্রিকা ও ব্রিটেন ভ্যারিয়েন্ট এক নয়। বর্তমানেরটাকে আটকানো বেশ জটিল। কারণ এটি অ্যান্টিবডিকে বাইপাস বা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে অতিক্রম করা শিখে গেছে। প্রতিনিয়ত মিউটেশন পরিবর্তন করে অভ্যস্থ হয়েছে। একবার সে ইমিউন সিস্টেম ভেঙেছে, সুতরাং সামনে আবার যখন ডিফেন্স সিস্টেম পাবে তখনই ভাঙবে। অর্থাৎ যতো বেশি অ্যান্টিবডি আসবে, ততো বেশি চেঞ্জ করবে। অ্যান্টিবডির প্রতিরোধে বেশিরভাগ ভাইরাস মারা যাবে এটাও সত্যি। কিন্তু যে দু-একটা বেঁচে থাকবে তারা রূপ পরিবর্তন করবে এবং পুনরায় ছড়িয়ে পড়বে- এটাই বাস্তবতা।

গত এক বছরে বাংলাদেশের অনেকের হার্ড ইমিউনিটি বেড়েছে। ব্রিটেনে ৩ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৯ শতাংশ, সুইডেনে ৫ শতাংশ, ভারতে ৪৫ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৫০ শতাংশের মতো ইমিউনিটি বেড়েছে। এখন যদি বিশাল জনসংখ্যার যাদের মধ্যে ইমিউনিটি রয়েছে, এর মধ্যে যদি ভাইরাস টিকে থাকতে পারে, তাহলে কিন্তু চিন্তার বিষয় রয়েছে। কারণ ভাইরাস একটা সাইক্লোনের মতো এসে ধীরে ধীরে কমে গেছে। কিন্তু এখন যে ভাইরাস বাংলাদেশে এসেছে বা অন্য দেশে হচ্ছে, এই ভাইরাসটি প্রতিরোধ ক্ষমতার বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার মতো শক্তি সঞ্চয় করে ফেলেছে। এই শক্তি সঞ্চয় করায় তার গতিপথ আর সরল নেই। এ কারণেই এটি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা বলা দুষ্কর।

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এখনো উপলব্ধি করতে পারছে না যে, আমরা ক্রমেই কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, আমরা করোনাভাইরাস সংক্রমণের চূড়ান্ত পর্যায়ের মুখোমুখি। এই অবস্থায় আতঙ্কিত মানুষজন ছুটছেন ভ্যাকসিন নিতে। প্রথম ডোজ শেষের দিকে, তাই দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ করেই পরিস্থিতি সামলানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন পরিস্থিতিতে ঘরে থাকা, লকডাউনের মতো চূড়ান্ত পদক্ষেপই অনিবার্য হয়ে উঠেছে। কারণ টিকা প্রদানের হার অনেক বেশি হওয়া সত্ত্বেও ইউরোপের অনেক দেশেই ভাইরাসের এসব ধরন সামাল দেওয়া যায়নি। এখনই বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতে ঠাঁই নাই অবস্থা। করোনা রোগীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি আইসিইউ চিকিৎসাসেবা নাগালের বাইরে চলে গেছে। সংক্রমণ এভাবে বাড়তে থাকলে রীতিমতো বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার মতো অবস্থা হবে। সারা বিশ্বেই চাহিদা অনুযায়ী টিকার সরবরাহ নেই। অনেক দেশ এখনো টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরুই করতে পারেনি। এ অবস্থায় বাংলাদেশ যে চাহিদা অনুযায়ী টিকা পাবে তারও কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই। আর টিকা দিলেই যে করোনায় আক্রান্ত হবে না, এমনও নয়। তাই টিকা নিলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। তাই বাংলাদেশের জরুরি হলো, যার যার ব্যক্তিগত সুরক্ষা। যাতে তিনি রোগটায় আক্রান্ত না হন। তিনি এবং তার পরিবার আক্রান্ত হলে ক্ষতিটা তারই হবে- এই সহজ সত্যটুকু সবার বুঝতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 রংপুর২৪ডটকম-সত্য প্রকাশে সারাক্ষণ[email protected]
Md Prince By rangpur24.com