September 16, 2021, 10:53 am

বাংলাদেশের স্বাধীনতায় জিয়ার অবদান কোথায়?

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, September 15, 2021
  • 7 Time View
পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল ১৯৪৭ সালে আর ঠিক ১৯৪৮ সালেই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ঘোষণা করলেন উর্দু হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। সাথে সাথে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা তার প্রতিবাদ করে বিক্ষোভ শুরু করে দিল। আন্দোলন তীব্রতর হয়ে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি সারা পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ল। পুলিশের গুলিতে প্রাণ দিয়েছিল রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার এবং আরো অনেকে।
১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “৬ দফা দাবি” পেশ করেন। ছয় দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য- পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র হবে এবং ছয় দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। ছয়দফা কর্মসূচীর ভিত্তি ছিল ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার করা হয়।
১৯৬৮ সালের নভেম্বরে ছাত্র অসন্তোষ গণআন্দোলনে রূপান্তরিত হয় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ঘোষিত গভর্নর হাউস ঘেরাও ও পরবর্তী দিনগুলোর কর্মসূচির মাধ্যমে। ৬ ডিসেম্বর ‘জুলুম প্রতিরোধ দিবস’ পালনের জন্য মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), তোয়াহার নেতৃত্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান শ্রমিক ফেডারেশন এবং আবদুল হকের নেতৃত্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান কৃষক সমিতি যৌথ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পল্টন ময়দানে এক জনসভার আয়োজন করে। ১০ ডিসেম্বর ৬ দফাপন্থি আওয়ামী লীগ আহুত ‘নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ জোরেসোরে পালিত হয়। ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন গ্রুপ), পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া গ্রুপ)-এর নেতৃবৃন্দ ‘ছাত্র সংগ্রাম কমিটি’ গঠন করে এবং তাদের ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। ১১ দফার মধ্যে ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন সম্পর্কিত ৬ দফার সাথে ছাত্র সমস্যাকেন্দ্রিক দাবি দাওয়ার পাশাপাশি কৃষক ও শ্রমিকদের স্বার্থ সংক্রান্ত দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বস্ত্তত ১১ দফা কর্মসূচীর মাধ্যমে ছাত্র নেতৃবৃন্দ যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তা ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী দলগুলোর মধ্যে একটি আন্দোলনগত ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তাছাড়া এসময় থেকেই শেখ মুজিবের মুক্তি ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি প্রাধান্য পেতে শুরু করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-সহ ছাত্র সংগ্রাম কমিটির পূর্ব বাংলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ঊনসত্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের ১৬৭টিতেই আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে এবং আওয়ামী লীগ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের একক প্রতিনিধি হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনিই হন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সংখাগরিষ্ঠ দলের নেতা। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্ব সংখাগরিষ্ঠ আওয়ামী লীগ ও তার নেতা শেখ মুজিবের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
১৯৭১-এর ৭ মার্চ শেখ মুজিব যে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, তাতেই পাকিস্তানী সামরিক জান্তার নিকট তাঁর মনোভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা বাঙালি হত্যাযজ্ঞ শুরু করে।ছাত্ররা এবং জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক কর্মীরা ক্যান্টনমেন্টের বাইরে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানি সৈন্যদের অভিযান ঠেকাতে রাস্তায় প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করা হয়।২৫ মার্চ রাতেই পাকিস্তানি সৈন্যরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হবার একটু আগে শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান। শেখ মুজিব গ্রেফতার হবার পূর্বে ২৫মার্চ রাত ১২টার পর (অর্থাৎ ২৬মার্চ) টি.এন্ড.টি ও ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ই.পি.আর) ওয়্যারলেসের মাধ্যমে মেসেজে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, ১৫শ খন্ড, পৃ:৫৬)। ২৬শে মার্চ চট্টগ্রাম বেতারের কয়েকজন কর্মকর্তা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান প্রথম শেখ মুজিব এর স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটি মাইকিং করে প্রচার করেন। পরে মার্চ ২৭ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর এক বাঙালি মেজর জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ রাতে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। (সূত্র : মেজর জিয়া’র বেতার ঘোষনা এবং বেলাল মাহমুদের সাক্ষাত্কার) এই সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন কর্ণেল অলি আহমেদ (তত্কালীন ক্যাপ্টেন)।
মুক্তিযুদ্ধের কিছুদিনের মধ্যেই ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় প্রথম বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান উপজেলা মুজিবনগর) গ্রামের আমবাগানে এই সরকার শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন। কিন্তু তিনি তখন পশ্চিম পাকিস্তানে কারাগারে বন্দী। তাঁর অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং দেশে ও বিদেশে এই যুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা ও সমর্থন আদায় করার ক্ষেত্রে এই সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুজিবনগর সরকারের উদ্যোগে ১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয়। কর্ণেল (পরবর্তীতে জেনারেল) মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়। লে.কর্ণেল আব্দুর রব সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য এসময় সারা বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের বিস্তৃতি ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বরিশালের পেয়ারা বাগানে মার্ক্সবাদী নেতা সিরাজ সিকদারের নেতৃত্বে, টাঙ্গাইলে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর অধিনায়কত্বে, নরসিংদীর শিবচরে মান্নান ভুঁইয়া ও আনোয়ার খান জুনোর পরিচালনায় এবং অন্যান্য আরও কয়েকটি অঞ্চলে। ভারতে অবস্থান করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রায় সকল সীমান্তে প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ও কর্নেল এমএজি ওসমানীর নেতৃত্বে এগারটি সেক্টরে দশজন সেক্টর কমান্ডারের অধীনে মুক্তিবাহিনী নিয়ন্ত্রিত মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিবাহিনীর মূল শক্তি ছিল কৃষক, শ্রমিক এবং কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। তাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসার ও হাবিলদারগণ, ইপিআর ও পূর্ব পাকিস্তান থেকে যাওয়া পুলিশগণ।
১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র ভূখন্ডকে বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়। চট্টগ্রাম যুদ্ধাঞ্চল সেক্টরে শুধুমাত্র তিন মাস এর জন্য ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। সেক্টরগুলোর অধীনে ছিল বেশ কয়েকটি সাব-সেক্টর। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে ভাগ করা হয়েছিল তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে। এগুলো হলো ‘জেড ফোর্স’, ‘এস ফোর্স’ এবং ‘কে ফোর্স’। মেজর জিয়াউর রহমান ‘জেড ফোর্স’, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহ ‘এস ফোর্স’ ও মেজর খালেদ মোশাররফ ‘কে ফোর্স’ এর অধিনায়ক ছিলেন। সামরিক ও বেসামরিক জনগণের মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে মুক্তিবাহিনী গড়ে উঠেছিল। বাঙালি সামরিক অফিসার ও সৈন্যদের নিয়ে গঠিত ছিল মুক্তিবাহিনীর নিয়মিত বাহিনী। এদের বলা হতো ‘মুক্তিফৌজ’। আর বেসামরিক সর্বস্তরের জনগণ নিয়ে গড়ে উঠেছিল অনিয়মিত বাহিনী। এছাড়া, দেশের অভ্যন্তরে আঞ্চলিক পর্যায়ে অন্যান্য বেশ কিছু ছোট ছোট বাহিনী গড়ে ওঠে। এর মধ্যে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ‘কাদেরিয়া বাহিনী’ এবং মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার নেতৃত্বে ‘মায়া বাহিনী’ উল্লেখযোগ্য। দেশের অভ্যন্তরে এবং ভারতের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অনেক নারীও এসময় যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নেন। গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ যুদ্ধ ছিল প্রধান যুদ্ধ কৌশল। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা এদেশকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা করে। ১০ই ডিসেম্বর থেকে ১৪ই ডিসেম্বরের মধ্যে তারা আমাদের অনেক জ্ঞানী-গুনী শিল্পী, সাহিত্যিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, চিকিৎসক, সাংবাদিকদের ধরে নিয়ে হত্যা করে। এদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক গোবিন্দচন্দ্র দেব, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক রাশীদুল হাসান, সাংবাদিক সেলিনা পারভিন, ডা.আলীম চৌধুরী,ডা.ফজলে রাব্বী,ডা.গোলাম মর্তুজা,ডা.আজহারুল হক এবং আরও অনেকে।
মাত্র নয় মাস যুদ্ধের মাধ্যমে একটি দেশের স্বাধীন হওয়ার ঘটনা পৃথিবীতে বিরল। কিন্তু অল্প সময় হলেও, এই যুদ্ধ ছিল রক্তক্ষয়ী। সম্পদ হানি ও অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি ছিল সীমাহীন ও অপূরণীয়। প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ এতে প্রাণ হারায়, আহত হয় আরও কয়েক লক্ষ মানুষ। এক কোটির অধিক মানুষ ঘর ছাড়া হয়।
দুই দিন আগে মির্জা ফখরুল সাহেব বলে দিলেন জিয়াউর রহমান যুদ্ধ না করলে দেশ স্বাধীন হত না। উপরে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যা জানি অনেক লিখেছি কই কোথাও তো জিয়াউর রহমান এর অবদান এর কথা নাই। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের অধীনে যুদ্ধ করতে আপত্তি জানিয়েছিলেন জিয়া। জিয়া বলেছিলেন, ওয়ার কমিশনের মাধ্যমে যুদ্ধ করতে হবে। তার এই বক্তব্যের জন্য তৎকালীন সেনাপ্রধান ওসমানী সাহেব তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিলেন। জিয়া পরে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়ে দায়িত্ব ফিরে পান। এবং এটাও জেনে রাখেন জিয়াউর রহমান যুদ্ধের সময় ছিল পাকিস্তানের গুপ্তচর। কেন বলছি তার উত্তর ও দিচ্ছি:- পাকিস্তানের দলিল পর্যালোচনায় দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় ও পরবর্তীকালে তিন শতাধিক পাকিস্তানী (বাঙালি) নাগরিককে রাষ্ট্রের শত্রু হিসেবে ঘোষণা করে। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তান শত্রু তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেনি। কিন্তু কেন? তার দল বিএনপি তো তাকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করে। তবুও তিনি কেন তিন শতাধিক এর তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হননি? তিন শতাধিক তালিকায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও কর্নেল ওসমানী প্রমুখ।
মহান মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তান এর গুপ্তচর থাকায় জিয়ার মরণোত্তর বিচার চাই আমরা তরুণ সমাজ।
লেখকঃ তাজিন মাবুদ ইমন
শিক্ষার্থী, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category