September 16, 2021, 11:08 am

পঞ্চগড়ে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, August 14, 2021
  • 104 Time View

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় রোকেয়া বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কে বা কারা তাকে হত‌্যা করেছে, তা জানা যায়নি।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) রাতে উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইছপাড়ায় এ হত‌্যাকাণ্ড ঘটনা ঘটে। নিহত রোকেয়া বেগম ওই এলাকার আব্দুল লতিফের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে হঠাৎ বাড়ির উঠোনের একপ্রান্তে গোঙানির শব্দ শুনতে পান আব্দুল লতিফের মেয়ে ও পুত্রবধূ। তবে, বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকায় তারা ভয়ে বাইরে বের হননি। কিছুক্ষণ পর রোকেয়ার ছেলে শরিফুল দেখতে পান, তার মা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় রোকেয়া বেগমকে গুরুতর আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিক‌্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত ১১টার দিকে সেখানে মারা যান রোকেয়া বেগম।

শনিবার সন্ধ‌্যায় রমেক হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রোকেয়ার লাশ পঞ্চগড়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

নিহত রোকেয়া বেগমের ছেলে শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বড় চাচা একাব্বর আলী, তার স্ত্রী রাবেয়া বেগম এবং দুই ছেলে কাদের ও জলিল, মেয়ে নাজমা আক্তারের সঙ্গে গত বুধবার রাতে আমাদের ঝগড়া হয়। তাদের দাবি, আমরা নাকি জ্বিনের কাছ থেকে অনেক টাকা পেয়েছি, ১ লাখ টাকা তাদের দিতে হবে। আমরা বারবার বলেছি যে, আমরা কোনো টাকা-পয়সা পাইনি। তারা তা মানছে না। বরং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে আগামী সোমবার স্থানীয়ভাবে সালিশ হওয়ার কথা ছিল। আমরা ধারণা করছি, তারাই আমার মাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমি আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই।’

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিয়া জানিয়েছেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পারিবারিক কলহের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা ধারণা করছি। তবে, এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, কারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। আমরা তদন্ত করে দ্রুত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করবো। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category