1. [email protected] : Rangpur24.com : Mahfuz prince
নীলফামারীতে ঠাঁই পাচ্ছেন আরো ১২৫০জন অসহায় গৃহহীন ভুমিহীন মানুষ - rangpur24
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৭:২৮ অপরাহ্ন

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

নীলফামারীতে ঠাঁই পাচ্ছেন আরো ১২৫০জন অসহায় গৃহহীন ভুমিহীন মানুষ

  • Update Time : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ২১৫ Time View

সাদিকুল ইসলাম সাদিক ঃজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী (মুজিববর্ষ) উপলক্ষে নীলফামারীতে দ্বিতীয় দফায় স্থায়ী বসবাসের ঠাঁই পাচ্ছেন আরো ১২৫০জন অসহায় গৃহহীন ও ভুমিহীন মানুষ। এরআগে প্রথম দফায় ৬৩৭জন গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবারকে স্থায়ী আবাস দেয়া হয়েছে জেলার ছয় উপজেলায়। আগামী ২০জুন দ্বিতীয় দফায় সুবিধাভোগী ভুমিহীনদের কাছে নতুন আবাসের চাবি, সনদপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলে দেয়া হবে। এ পর্যায়ের সুবিধাভোগীদের মধ্যে রয়েছেন নীলফামারী সদর উপজেলায় ২২০জন, ডোমার উপজেলায় ৩০০জন, ডিমলা উপজেলায় ২০০জন, জলঢাকা উপজেলায় ৩০০জন, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১৭০জন এবং সৈয়দপুর উপজেলায় ৬০জন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে দেয়া ১লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে এসব ঘরের নির্মাণ কাজ শেষের পথে। নির্ধারিত দিনে বসবাসের উপযোগী হিসেবে ঘরগুলো হস্তান্তর করা হবে সুবিধাভোগীদের কাছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকতাদের সরাসরি তত্বাবধানে এসব ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে ইউনিয়নগুলোতে। নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ভালো মানের ইট, বালু, সিমেন্ট, রড, টিন ও কাঠ। প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে খুশি ডোমার উপজেলার পাঙ্গা মটকপুর ইউনিয়নের মধ্যপাঙ্গা গ্রামের সোহেল রানা(৫০) ও মাজেদা বেগম(৪০) দম্পত্তি। পাঁচজনের সংসারে উপার্জনের একমাত্র পথ রিকসা চালানোর অর্থ। সোহেল রানার স্ত্রী মাজেদা বেগম বলেন, ২৩বছর আগোত মোর বিয়াও হইছে। বিয়ার পর থাকি মাইনসের বাড়িত থাকিবার নাগছু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হামাক ঘর দেয়ছে, হামরা খুব খুশি। এ্যালা কবার পাবো হামার নিজের ঘর বাড়ি আছে। একই ইউনিয়নের মেলাপাঙ্গা এলাকার আব্দুল মতিন বলেন, নিজের একটা বাড়ি হয়ছে। হামাক আর টেনশন করিবার নাগিবে না। শেখের ব্যাটি হামার জন্য ভাবে। হামার কষ্ট বোঝে। নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার জানান, ১লাখ ৯০ হাজার টাকার সরকারী বরাদ্দে দুটি থাকার রুম, রান্না ঘর এবং বাথরুম করা হয়েছে। যা মানসম্মত। তিনি বলেন, লিনটেন ডিজাইনের মধ্যে ছিলো না সেটি আমি করেছি। এই পর্যায়ে খোকশাবাড়ি, চওড়া বড়গাছা, পলাশবাড়ি, চড়াইখোলা, কচুকাটা ও গোড়গ্রামে ২২০টি ঘর নির্মাণ হচ্ছে। এরমধ্যে ১৫০টি ঘরের নির্মাণ কাজ একেবারে শেষ। ২০জুন এগুলো হস্তান্তর করা হবে। জেলা প্রশাসক কার্যালয় সুত্র জানায়, মুজিববর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে সারাদেশে গৃহহীন ও ভুমিহীন মানুষদের স্থায়ী আবাস করে দেয়া হচ্ছে। যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্প-২ থেকে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে জেলায় ৬৩৭জনকে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয় আনুষ্ঠানিক ভাবে। সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহিদ মাহমুদ জানান, ভুমিহীন ও গৃহহীন মানুষরা কিভাবে দিন যাপন করতো, কেউ কখোনো ভাবেনি। একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা মানবতার মা শেখ হাসিনা উপলদ্ধি করেছেন এসব মানুষদের কষ্টের কথা। নীলফামারীতে যারা ভুমিহীন গৃহহীন মানুষ, যাদের তিনবেলা পেটপুড়ে খাওয়া কষ্টকর, এসব মানুষ ঘর পাচ্ছেন। এসব মানুষরা এখন সবচেয়ে সুখি মানুষ। জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম জানান, আগামী ২০জুন সারাদেশে একযোগে ঘর হস্তান্তর করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমরা অনুষ্ঠানে সংযুক্ত থাকবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরপরই নীলফামারীর সব উপজেলায় সুবিধাভোগীদের মাঝে চাবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হস্তান্তর করা হবে। তিনি বলেন, সারাবিশ্বে বঙ্গবন্ধু কন্যা যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, অসহায় গৃহহীন ও ভুমিহীন মানুষদের পাশে দাড়িয়ে আরেকটি দৃষ্টান্ত রাখছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 রংপুর২৪ডটকম-সত্য প্রকাশে সারাক্ষণ[email protected]
Md Prince By rangpur24.com