1. [email protected] : Rangpur24.com : Mahfuz prince
দিনাজপুরে বিলুপ্তির পথে ধান মাড়াই পিঁড়ি - rangpur24
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

স্যামসাং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড শপ এখন আর,এ,এম,সি শপিং কমপ্লেক্স এর পঞ্চম তলায়। শপ নংঃ- ২,৩,৪ প্রয়োজনেঃ- ০১৩২২৭১৪৮৪৭, ০১৮১৮৭০১৮৭২

দিনাজপুরে বিলুপ্তির পথে ধান মাড়াই পিঁড়ি

  • Update Time : রবিবার, ৯ মে, ২০২১
  • ৭৯ Time View

কালের স্রোতে আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে ধান মাড়াই পিঁড়ি। তবে আজও এই সেকেলে পদ্ধতি ধরে রেখেছেন দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার টেঁগরাগ্রামের চাষিরা। এই পদ্ধতিতে ধানের কোনো ক্ষতি হয় না এবং খড়ও নষ্ট হয় না। এমনটিই বলছেন ওই গ্রামের প্রবীণ কৃষকরা।

এক সময় কৃষকরা মাঠ থেকে ধান কেটে আঁটি বেঁধে খোলায় তুলে আনতেন। পরে পিঁড়ি দিয়ে ধান মাড়াই করতেন। এতে ধান নষ্ট হতো না। ধানের আঁটিগুলো খোলায় সাজিয়ে রাখতেন। এক বিঘা জমির ধান মাড়াই করতে এই পিঁড়িতে সময় লাগতো প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা।

আধুনিক যুগের অত্যাধনিক যন্ত্রে সুবিধা বেশি থাকায় সেকেলে যন্ত্র হারিয়ে গেছে অনেকটাই। ধান মাড়াই পিঁড়ির পর আসে পাচালিত ধান মাড়াই মেশিন, তা আবার সেলো মেশিনের সাহায্যে চালিত হয়েছে। বর্তমানে আবিষ্কার হয়েছে হারভেস্টার মেশিন, যেটি ক্ষেতেই কাটা-মাড়াই সম্পূর্ণ হচ্ছে।

সম্প্রতি এক বিকেলে বিরামপুর উপজেলার টেঁগরাগ্রামে চোখে পড়লো, ধানক্ষেত থেকে মাথায় আর বাহুকে করে ধান নিয়ে পাকা রাস্তার উপর ধান রাখছেন কৃষকরা। পাশে রয়েছে ধান মাড়াই দুইটি পিঁড়ি। আর সেই পিঁড়ির উপর শরীরের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে ধানের আঁটিগুলো আছাড় মারছেন তারা। তাতে গাছ থেকে ধানগুলো খুলে পড়ছে। একজন নারী ধানের খামালের উপর পড়া আবর্জনাগুলো সরিয়ে দিচ্ছেন। আবার কৃষকের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে ধানের আঁটির ভেতরে ধানগুলো ঝেড়ে বের করছেন।

টেঁগরাগ্রামের রমিজ উদ্দিন বলেন, ‘বাপ-দাদার আমল থেকে আমরা এই পিঁড়া দিয়ে ধান মাড়াই করে আসছি। পরিশ্রম একটু হয়, এতে শরীর ভালো থাকে। আবার বাড়তি কোনো খরচ হয় না।

কৃষক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘এবার আমি তিন বিঘা জমিতে ইরি ধান আবাদ করেছি। আমার দুই ছেলেকে নিয়ে এই পিঁড়া দিয়ে ধান মাড়াই করছি। একটু কষ্ট হোক সমস্যা নেই। খড়ের আঁটিগুলো তো ঠিকঠাক পাচ্ছি।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নিক্সোন চন্দ্র পাল বলেন, ‘চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ করেছেন কৃষকরা। ধানের ফলন ভালো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি। আশা করি চাষিরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফসল কেটে-মাড়াই করে ঘরে তুলতে পারবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 রংপুর২৪ডটকম-সত্য প্রকাশে সারাক্ষণ[email protected]
Md Prince By rangpur24.com