1. [email protected] : Rangpur24.com : Mahfuz prince
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

ডিমলায় জোর করে জমি দখলের অভিযোগ সাবেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে 

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫৫ Time View
রকিবুল হাসান রিপন-
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় ত্রান পুর্নবাসনের প্রায় আড়াই একর জমি বানোয়াট ও সাজানো কাগজ তৈরি করে জোর করে দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আব্দুল আজিজ নামে এক সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেও কোন সুফল পাচ্ছেনা ভুক্তভোগী মোশারফ হোসেন ও তার পরিবার। মোশারফ হোসেন ওই উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের কলোনীপাড়া এলাকার মৃত মাজম আলীর ছেলে। অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ একই এলাকার মৃত যাদু মিয়ার ছেলে।
প্রাপ্ত অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, উপজেলার কলোনীপাড়া এলাকার মোশারফ আলী পৈতৃক সুত্রে তার আড়াই একর জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করে আসছেন। এরআগে তার পিতা মারা গেলে মা করিমন বেগম ও তার নামে তৎকালীন সরকারের ত্রানশাখা থেকে ওই জমি  পুর্নবরাদ্দ দেয়া হয়। উক্ত জমিপ্রাপ্ত হন ১৯৬৩ সালে যার জেএল নং-২৫ খতিয়ান-০২ ও  প্লট নং-৫১ । পরে মা করিমন বেগম মারা গেলে সন্তান হিসেবে মোশাররফ হোসেন ওই জমি বসতবাড়ী করে ভোগ দখল করে আসছেন।  কিন্তু প্রতিবেশি আব্দুল আজিজ ১৭৭৫ সালের একটি পূর্নবরাদ্দের কাগজের মুলে ক্রয় সুত্রে ওই জমি (১.২৫) একর নিজের বলে দাবী করলে,   এ নিয়ে দুই পরিবারের মাঝে বিরোধ চলে আসছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত  আব্দুল আজিজ বলেন, ওই জমি মোশারফ হোসেনের বিমাতা ভাই হুটু মিয়ার কাছ থেকে আমার মা ছাপিয়া খাতুন ১৯৭৬ সালে ক্রয় করে । সেই সূত্রে ওই জমি নিজের বলে দাবি করেন তিনি ।
ওই জমির প্রকৃত মালিক মোশাররফ হোসেন বলেন, এই জমি ত্রান শাখা  থেকে ১৯৫৬ সালে আমার বাবা মাজম আলির নামে বরাদ্ধ হয়।  পরবর্তীতে আমার বাবা মারা গেলে ১৯৬৩ সালে পুর্ন তদন্ত করে উক্ত সম্পত্তি পুনরায় আমার ও মায়ের নামে বরাদ্দ হয় । পরে আমার মা মারা গেলে ওয়ারিশ সুত্রে ওই জমির মালিকানা প্রাপ্ত হই আমি। কিন্তু প্রতিবেশী আব্দুল আজিজ ষড়যন্ত্র করে জনৈক্য হুটু মিয়াকে আমার ভাই সাজিয়ে তার কাছ থেকে ওই জমির অর্ধেক (১.২৫) তার মায়ের নামে ক্রয়ের দলিল দেখিয়ে নিজের বলে দাবি করেন ।
টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইদ্রিস আলী বলেন,  দুই পরিবারের বিষয়টি মিমাংসার জন্য কয়েক ধাপে  আমরা চেষ্টা করেছি কিন্তু আব্দুল আজিজ আমাদের কোন কথা না রাখায় বিষয়টি মিমাংসা করা সম্ভব হচ্ছে না।
এবিষয়ে ৯ নং টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মইনুল হক বলেন, ওই জমির বিষয়ে দুই পক্ষকে সাথে নিয়ে মিমাংসার জন্য বসা হয়েছিল। দুই পক্ষথেকে আমরা ১২ জনকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য একটি  বোর্ড গঠন করেছিলাম ।  কিন্তু  আব্দুল আজিজ গ্রাম আদালতের মিমাংসা না মেনে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা বললে এবিষয়ে আর মিমাংসা করা সম্ভব হয়নি। আমি  বুঝিনা কেন তিনি গ্রাম আদালত কে অমান্য করলো।
ডিমলা থানার উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ জানান, দুই পরিবারের মাঝে এই বিরোধ মিমাংসার জন্য গ্রাম আদালতের দারস্থ হয়েছিলাম। পরবর্তীতে আব্দুল আজিজ গ্রাম আদালতেও অনুপস্থিত হয়। তাই বিরোধটি নিস্পতি করা সম্ভব হয়নি।

Rangpur24 ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন

More News Of This Category
© All rights reserved ©Rangpur24.com
Md Prince By rangpur24.com