ব্রেকিং নিউজ-
পাঁচবিবি সমিরণ নেছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নানা সমস্যায় জর্জরিত** শনিবার রংপুরে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ** কুড়িগ্রামে ৪০তম জাতীয় সাইক্লিং প্রতিযোগীতার উদ্বোধনী ** পীরগঞ্জে পাষান্ড স্বামীর নির্যাতনের স্বীকার নাবালিকা গৃহ বধু ** রাণীশংকৈলে পুকুর খনন করতে গিয়ে ২টি বিষ্ণু মুর্তি উদ্ধার** রংপুরে বখাটেদের হুমকিতে স্কুলে যেতে পারছে না ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীর** রংপুরে রিপোর্টার্স ইউনিটির তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ** রনজিৎ দাসের একক চিত্র প্রদর্শনী ‘রুপসী রংপুর’ সমাপনী** রংপুরে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ ** রংপুরে দারিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস, শিক্ষা সামগ্রী ও ঋণ বিতরণ**

ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক সাময়িক বরখাস্ত

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , ঠাকুরগাঁও

12 February, 2019 -> 9:26 am.

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস না করে জাল সনদে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রুহিয়া ডিগ্রী কলেজে প্রভাষক পদে ছয় বছর ধরে ইংরেজি বিভাগে শিক্ষকতা করছিলেন আতিকুর রহমান। সম্প্রতি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এলে গত রোববার কলেজ পরিচালনা কমিটির সভায় তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০১২ সালের ১১ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা (বিএম) বিভাগের ইংরেজি প্রভাষক পদে আতিকুর রহমান নিয়োগ প্রাপ্ত হন, পরে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি এমপিও ভুক্ত হন। এদিকে ২০১৫ সালের ২০ মে নিরীক্ষা দপ্তরের যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার ও অডিটর মাহমুদুল হক রুহিয়া ডিগ্রি কলেজ পরিদর্শন করেন। ওই নিরীক্ষায় আতিকুর রহমানের দাখিলকৃত বেসরকরি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সনদপত্র জাল বলে ধরা পড়ে। তিন বছর পর ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা দপ্তরের উপপরিচালক অধ্যাপক সাজ্জাদ রশিদ স্বাক্ষরিত প্রতিবেদন কলেজ অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়, যেখানে বলা হয়, আতিকুর রহমান অন্য ব্যক্তির সনদপত্র সংগ্রহ করে জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরিতে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছেন। এর পর রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি এ বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ দিলেও আতিকুর রহমান এর কোনো জবাব দেননি, এর পরিপ্রেক্ষিত গত রোববার কলেজের পরিচালনা কমিটির জরুরি সভায় তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইসঙ্গে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বেতন হিসেবে নেওয়া ১২ লাখ ২১ হাজার ২০০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে বলা হয়। কলেজের অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ বলেন, মন্ত্রণালয় চাইলে আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা হতে পারে। প্রভাষক আতিকুর রহমানের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।