তিস্তা চুক্তির আশ্বাস ভারতের

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , বিষেশ বুলেটিন

8 February, 2019 -> 8:28 am.

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অংশীদারিত্বমূলত সম্পর্ক অপরিবর্তনীয় রাখতে ভবিষ্যতমুখী রোডম্যাপ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশ। এক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্কের পরিধির বিস্তৃতি করতে চায় উভয় পক্ষই। এর মধ্যে রয়েছে মহাকাশ, পারমাণবিক শক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিকস। শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিল্লিতে দু’দেশের পঞ্চম পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ পরামর্শক কমিশন- জেসিসি বৈঠকে এ সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। শুক্রবার দিল্লির জওহরলাল নেহেরু ভবনে জেসিসি বৈঠকে যোগ দেন বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। আর ভারতের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন অভিন্ন নদীসহ তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যার দ্রুত সমাধানের অনুরোধ করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে সুষমা স্বরাজ তিস্তা চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশকে আশ্বাস দেন। বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে চার দফায় রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৈঠকে সুষমা স্বরাজ জানান, রোহিঙ্গাদের নিরাপদে রাখাইনে পাঠাতে বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে সমর্থন দিয়ে যাবে ভারত। এছাড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বৈঠকে উভয় মন্ত্রীই জানিয়েছেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এখন অনেক বিস্তৃত হয়েছে এবং নতুন ক্ষেত্র হিসেবে মহাকাশ, পরমাণু প্রযুক্তি, তথ্য-প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক যোগ করা হবে। এছাড়া নিরাপত্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, উন্নয়ন সহযোগিতা, পরিবহন, কানেক্টিভিটি, সংস্কৃতি, মানুষে মানুষে যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। জেসিসি বৈঠকে যোগ দিতে বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিল্লির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। দিল্লি সফরকালে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে নিযুক্ত হওয়ার পর ড. এ কে আব্দুল মোমেনের এটাই প্রথম বিদেশ সফর। দিল্লি থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় ফিরবেন।