আমরাই গড়বো আমাদের আগামী - পীরগাছার তরুন প্রার্থী মাসুদ ঘিরে এই আওয়াজ তুলেছে তরুন ও সচেতন সমাজ

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , রংপুর

8 February, 2019 -> 12:44 am.

আমরা সাত আটজন সাংবাদিক বন্ধু মিলে গত শুক্রবার পীরগাছা গিয়েছিলাম একটি সামাজিক সংগঠনের কর্মসূচী কভার করতে। এসময় কর্মসূচী শুরুর আগে এবং চলাকালিন একটি বিষয় ঘুরেফিরে আসছিল চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অনুষ্ঠান স্থলে আর তা আসছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ পীরগাছা উপজেলা পরিষদ এ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ কাকে বেছে নিচ্ছেন ভারাটিয়া নাকি নিজস্বতা,দূর্নীতি পরায়ণ নাকি নির্লোভ ব্যাক্তি,জনপ্রিয়তা নাকি ভাই প্রিয়তাকে,তারুণ্য নাকি অস্থিত্বহীন মেরুদণ্ডকে। এমন কোন মেরুকরণ স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি নির্বাচন এর প্রার্থী বাছাই করতে সাধারণ ভোটার দের মাঝে কখনো দেখিনি তাই কৌতহল বসত আমরা আসছে উপজেলা নির্বাচনে পীরগাছার প্রার্থীদের নিয়ে একটু পর্যালোচনা শুরু করলাম।আর তাতেই ঘুরে ফিরে যে কথা গুলী উঠে আসে তা তুলে ধরছি আজকের প্রতিবেদনে। প্রথমেই পীরগাছার এক তরুন ভোটার আতিক এর কাছে জানতে চাইলাম তার নির্বাচন ভাবনা কি? জবাবে সে বলল আমরা পীরগাছারর মানুষ এবার এমপি ইলেকশন এ গতবারের ন্যায় একজন নির্লোভ, সৎ ও ভালো মানুষকে নির্বাচিত করেছি এবং শেখ হাসিনা আমাদেরকে তাতে যে পুরুষ্কৃত করেছে এবার আমরা যদি টিপু মুনশির মত উপজেলায় আর একজন এমন প্রতিনিধি বাছাই করতে পারতাম তাহলে পীরগাছা সারা বাংলার মর্ধ্যে মডেল উপজেলা হইত।তাই আমার মনে হয় যেকজন প্রার্থী আছে তাদের ভিতর মানোয়ার হোসেন মাসুদ ভাই এগিয়ে আছে,সে অন্তত ধোঁকাবাজি না করে বিনাসার্থ্যে জনসেবাটা করতে জানে।সে নির্বাচিত হলেই বুঝি আমরা আগায় যাবো এবার। এমন সময় সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতা এসে যোগ দেন আমাদের চা চক্রে এবং কোন কিছু জিগ্মেস করার আগেই বলে ওঠে আর কতদিন বাহে হামরা নিজের লোকজন কে রাখিয়া শেখ হাসিনা বোঝেনা বঙ্গবন্ধু বোঝে না বোঝে খালি টাকা আর পাইসা এমন ভাড়াটিয়া বামপন্থিদের সুযোগ দিব এবার পীরগাছারর সাবেক ও ববর্তমান ছাত্রলীগ নেতারা আমরা জোট বাধছি যেভাবেইই হোক কর্মীদের জন্য নিবেদিত প্রান মাসুদকে নৌকার প্রার্থী করে ভোটে বিজয়ী করে আনবো ইনশাল্লাহ। দূরে বসে থাকা এক মুরুব্বি বলে ওটেন "কেনে বাহে মাসুদ তো দেখনু ফখরুদ্দীন এর বেলা শেখ হাসিনা জেলত, তখন কি কি ওইগলা কাগজ একগুলা দিয়া বেরাইল ফির বারিত ও বলে থাইকবার পায়না ফির কলেজত ও বলে আ-মীলীগ করে বলি যাবার পায়না পুলিশ ডাংগায়। তো ওয়াক দিবার নায় নৌকা তা কাক ফির দেবে বাহে কনতো জ্বালা ওয়াক দেলে ভালোই হইল হয় চেংড়া টার মনটাও বড় সবাক এ দেয় যেইকনা বলে কামাই করে। তোমরা কি কন বাহে কনতো। আর আমরা তাই পীরগাছায়য় তার গ্রামের বাড়ির লোকজনের কাছে মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ সম্পর্কে খোঁজখবর নিলে জানতে পারি সে ছাত্র অবস্থা থেকেই রাজনীতির সাথে জরিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ অধ্যায়নরত অবস্থায় সে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেব অত্যান্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এসময় সর্বদাই ছাত্র/ছাত্রী দের কল্যানে এবং যেকোনো সমস্যায় সবার আগে পাশে দাঁড়ানো মাসুদ পরবর্তী সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এর সদস্য,সিনিয়র সহসভাপতি এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এবং তার জনপ্রিয়তা ও কর্মদক্ষতারর কারনে ভারপ্রাপ্ত সভাপতিও ছিলেন। এর পরবর্তী সময়ে সেই ধারাবাহিতা ধরে রেখে আজ কেন্দ্রীয় যুবলীগ এর সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ধারাবাহিক ও ধীরেধীরে এগিয়ে চলা মাসুদ তাই আজ শুধু পীরগাছা তেই নয় গোটা উত্তরবঙ্গে ছাত্রলীগ ছাড়িয়ে তরুন ও নবীনদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। যেখানেই যাচ্ছেন কর্মীরা তাকে ঘিরে ধরছেন সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায়। আগামী সংখ্যায় পরবর্তী অংশ প্রকাশিত হবে।