ঠাকুরগাঁওয়ে রানীশংকৈলে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের অফিস আছে, কাজ নেই

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , ঠাকুরগাঁও

22 January, 2019 -> 12:18 am.

ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈলে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ঝিমিয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট অফিসের উপ সহকারি প্রকৌশলি আসাদ জানান, উপজেলায় ১৩০ টি গভির নলকুপ ছিল। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যোগে আরও ১০০টি গভীর নলকুপ নির্মান করা হয়। ১৬ সালে প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে কোন কাজ কাম নেই। তিনি বলেন, উপজেলায় ১৭টি দপ্তর রয়েছে। এ দপ্তরগুলো ইউএনও নিয়ন্ত্রন করেন। আমাদের বরেন্দ্র অধিদপ্তরটি ১৭টি দপ্তরের বাইরে। বরেন্দ্রকে নিয়ন্ত্রন করে রাজশাহী বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। অফিসের মাঠে তাদের চেয়ার টেবিল নিয়ে রৌদ্রে বসে থাকতে দেখা গেলেও অফিসের নিজস্ব কক্ষে টেবিল নেই, মেরামতের কাজ চলছে বলে তিনি জানান। বাকি সময় আডা কাটিয়েই পার করেন । অপর দিকে মাস গেলেই কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন ভাতা দিয়ে দেয়। তবে জনবল কিছুটি সমস্যা রয়েছে বলে তিনি জানান। জানা গেছে, বরেন্দ্র অফিসের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত আছেন। বরেন্দ্র অফিসের বড় বাবুদের বদলি নেই, এমন অভিযোগ একটি মহলের থাকলেও ওই কর্তাবাবুরাও রাণীশংকৈল উপজেলার প্রধান দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথেই আড্ডা দিয়ে সময় পাস করছেন। অন্যান্য দপ্তরের নাম প্রকাশকে অনিচ্ছুক- কিছু কর্মকর্তা কর্মচারী আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, উপজেলা পরিষদের বাইরে বরেন্দ্র অফিসটি থাকলেও উপ-সহকারি প্রকৌশলী আসাদের উপজেলা চত্ত¦রে প্রায় সময় কাটতে ও আড্ডা দিতে দেখা যায়। উপ-সহকারি প্রকৌশলী আসাদকে তার অফিসে কাজ নেই কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি( বি,এম,ডি,এ) এর সেচ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছি। তবে শুধুমাত্র সেচের জন্য ধর্মগড় ভদ্রেশ্বরী২৭৬ ও ডাইবেটিসের মোর ৩১১ ডিপ টিউবওয়েল দু’টি এখনো অকেজো হয়ে রয়েছে। কৃষকরা যোগাযোগ করছেনা। খোজ নিয়ে জানা গেছে ঐ মাঠে নতুন ইট ভাটা নির্মাণ করা হয়েছে ।