ব্রেকিং নিউজ-
রংপুর সদর ৩ আসনে এরশাদের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ ** রংপুর ২ এর তারাগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করেন মাহফুজ উন নবী ডন"** রংপুরের তারাগঞ্জে নৌকার পক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা ** দেশটাকে আর ৭১-এ ফিরে নিবেননা: শিবলী সাদিক এমপি:** আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করা হবে মোতাহার হোসেন** শেখ কল্লোল আহম্মেদের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকীতে রিপোর্টার্স ক্লাবে দোয়া মাহফিল** রংপুর ৬ আসনে ড, শিরিন শারমিনের নির্বাচনী প্রচারনা শুরু ॥ মানুষের ঢল ॥ ** বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে রংপুরে জয়িতাগনকে সংবর্ধনা ** নীলফামারী-৪ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী ** নীলফামারীতে নারী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার**

গ্রেনেড সন্ত্রাসী তারেক জিয়ার মিথ্যাচার

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , বিষেশ বুলেটিন

10 October, 2018 -> 11:23 am.

ক্ষমতায় থাকাকালীন তারেক জিয়াকে ডাকা হত ‘মিস্টার টেন পার্সেন্ট’। ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার পর তাকে গ্রেনেড সন্ত্রাসী ডাকা হয়। লন্ডনে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলায় ২০ মিনিট সময় নিয়ে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন তারেক রহমান। অরাজনৈতিক ব্যক্তিরা যেমন লিখিত বক্তব্যের বাইরে ভাষণ দিতে জানেন না, তেমনি তারেকও বক্তৃতার ক্ষেত্রে নিজের দুর্বলতার প্রমাণ রেখেছেন। একদিকে যেমন লিখিত এই বক্তব্যের একটি বাক্য ছিল অসম্পূর্ণ তেমনি অন্যদিকে, এই ভাষণ যথেষ্ট হাস্যরসের উদ্রেগ করে। তারেক বলেছেন, ‘আমি, আমার মা বেগম খালেদা জিয়া, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করিনা’। এতে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে খালেদা জিয়ার ১৫ আগস্ট নকল জন্মদিন পালন আর ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে বোমা হামলা তাহলে কী ছিল? তারেক আরো বলেছেন, ‘তিনি তাকে মা-বাবার মত জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। জাতি বিনীতভাবে জানতে চায় ক্ষমতায় থাকতে হাওয়া ভবনে বসে আর ক্ষমতায় না থেকে লন্ডনে বসে তিনি কীভাবে জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করলেন? বিএনপির এই ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দাবী করেন- ২১ আগষ্ট আওয়ামী লীগের মুক্তমঞ্চে জনসভা করার কথা ছিল। তারা কেন দলীয় কার্যালয়ের সামনে জনসমাবেশ করল। এক্ষেত্রে তারেক যথেষ্ট মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। জানা যায়, ২১ আগষ্ট পুলিশ এবং প্রশাসনের চাপে আওয়ামী লীগের জনসভা মুক্তমঞ্চের পরিবর্তে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজন করার বাধ্যবাধকতা ছিল। তারেকের আরো দাবী ছিল- একজন ব্যক্তিকে ১০০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে তার মুখ থেকে তারেকের নামে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়। তবে জেনে রাখা ভালো যে, বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে জজ মিয়া নামের নিরীহ একজন মানুষকে নোয়াখালী থেকে ধরে এনে ১৫০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকারের আমলে পুলিশ যাদের গ্রেপ্তার করছেন এবং যারা বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন তাদের ফোনালাপ রেকর্ড, তথ্য এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই এসব প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাছাড়া এই বক্তব্যে তারেক জিয়াকে মুফতি হান্নানের পক্ষে যথেষ্ট পক্ষালম্বণ করতে দেখা গেল। তারেক বলেন, “প্রিয় দেশবাসী দেশ এবং জনগনের কল্যাণে কাজ করতে গেলে বিপদ আসবে। সেটি জেনে আমিও দেশ এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিবেদন করেছি”। তিনি লন্ডনে বসে জুয়া, মদ এবং নারীসঙ্গে নিজেকে নিবেদন রেখে শুধু ভিডিও ভাষণের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন। তার বক্তব্যও অসংলগ্ন এবং অসম্পূর্ণ। যেমন : আমিও দেশ এবং জনগণের স্বার্থে যেকোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা প্রস্তুত। মিথ্যা আত্মপক্ষ সমর্থনে এরকম অসংলগ্নতা খুব স্বাভাবিক।