১০অক্টোবর দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে চড়ারহাট গণহত্যা দিবস

মশিহুর

বিরামপুর প্রতিনিধি, দিনাজপুর

10 October, 2018 -> 10:46 am.

১৯৭১ সালের ৯ অক্টোবর বিরামপুর উপজেলার আলতাদিঘী নামক স্থানে গরুর গাড়ীতে করে কয়েকজন খাঁন সেনা বিরামপুর ক্যাম্পে যাওয়ার সময় মুক্তিযোদ্ধারা অতর্কিত হামলা করে ৭জন খাঁন সেনাকে হত্যা করে। খাঁন সেনাদের সাথে ২ জন রাজাকারও ছিল। ওই রাজাকাররা খাঁন সেনাদের হত্যা করার খবর বিরামপুর ক্যাম্পে জানায়। পরে এ ঘটনায় প্রতিশোধ নিতে ৯ অক্টোবর রাতে পুটিমারা ইউনিয়নের চড়ারহাট (প্রাণকৃ পুর) ও আন্দোলগ্রাম (সারাইপাড়া) ঘেরাও করে বিরামপুর ক্যাম্প কমান্ডারের নেতৃত্বে হানাদান বাহিনী। ১০ অক্টোবর ভোরে গ্রামের মানুষদের কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে চড়ারহাটের একটি স্থানে সারিবদ্ধ করে নির্বিচারে ১৬৫ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে প্রায় ২০ জনের মত গুলিতে আহত হয়ে পঙ্গুত বরণ করেন।। গতকাল ১০ অক্টোবর সকালে চড়ারহাট শহীদ স্মৃতি বেদীতে চড়ারহাট গণহত্যা উপলক্ষে দুপুর ১২.০০ স্থানীয় সংসদের পক্ষে হাবিবুর রহমান রিপন ও পুটিমারা ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন পুষ্পস্থাপক করেন এর পরেই নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মসিউর রহমান, দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার ফোরাম সভাপতি, আবুল কালাম আজাদ, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, শহীদমুক্তিযোদ্ধা পরিবার, বিভিন্ন স্কুল কলেজসহ ছাত্র-ছাত্রীরা ও এলকাবাসী শহীদ দেবীতে পুষ্পস্থাপক অর্পণ করেন। এর পরে পুটিমারা ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে চড়ারহাট গণহত্যা ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মসিউর রহমান, দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার ফোরাম সভাপতি, আবুল কালাম আজাদ, পুটিমারা ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিপনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পরে চড়ারহাট গণহত্যায় নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।