ব্রেকিং নিউজ-
রংপুরে ব্রাকের হালাকা প্রকৌশলী শিল্পমালিকদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত** রংপুরে যৌন হয়রানির ঘটনায় আত্মহত্যা, ৫ আসামির দণ্ড ** নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌর বৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তির চেক ও সনদপত্র বিতরণ** রংপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়াতে হারমোনিয়াম ও তবলা ডুগি প্রদান** মিঠাপুকুরে ভিডিসি সংস্থার এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত ** রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১০** রংপুর হাজিরহাট থানা কর্তৃক ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ ** ফুলবাড়ীতে চলতি বরো ধান সংগ্রহ ** বাংলাদেশ ন্যাশনাল স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন রংপুরের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ** রৌমারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ**

১০ অক্টোবর নবাবগঞ্জে চড়ারহাট গণহত্যা দিবস

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , দিনাজপুর

9 October, 2018 -> 11:52 am.

১০ অক্টোবর চড়ারহাট গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয় শতাধিক নিরিহ জনতাকে। নির্মম এই গণহত্যার কথা মানুষ ভুলতে পারেনি আজও। অক্টোবর এলেই এখানকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। নবাবগঞ্জের পুটিমারা ইউনিয়নের চড়ারহাটে (প্রাণকৃঞ্চপুর) ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন পাকহানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা নিরীহ সাধারন নারী-পূরুষকে কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে একত্রিত করে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। ওই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহতও হয়। সেই শহীদদের গণকবরগুলি সংরক্ষণের জন্য শহীদ পরিবারসহ এলাকাবাসী আজও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ৯ অক্টোবর বিরামপুর উপজেলার আলতাদিঘী নামক স্থানে গরুর গাড়ীতে করে কয়েকজন খাঁন সেনা বিরামপুর ক্যাম্পে যাওয়ার সময় মুক্তিযোদ্ধারা অতর্কিত হামলা করে ৭জন খাঁন সেনাকে হত্যা করে। খাঁন সেনাদের সাথে ২ জন রাজাকারও ছিল। ওই রাজাকাররা খাঁন সেনাদের হত্যা করার খবর বিরামপুর ক্যাম্পে জানায়। খবর পেয়ে ক্যাম্প কমান্ডার একজন মেজর প্রতিশোধ নিতে হিংস্র হয়ে উঠে। তিনি তার ফোর্সদের নিয়ে ৯ অক্টোবর রাতেই পুটিমারা ইউনিয়নের চড়ারহাট (প্রাণকৃঞ্চপুর) ও আন্দোলগ্রাম (সারাইপাড়া) ঘেরাও করে। ১০ অক্টোবর ভোর রাতে ওই গ্রামের নিরীহ সাধারন মানুষদের কাজের কথা বলে চড়ারহাটের একটি স্থানে সাধারন ওই মানুষগুলিকে সারিবদ্ধ করে দাঁড় করিয়ে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। এতে ২ জন মহিলাসহ ১৫৭ জন শহীদ হন। শহীদদের সকলের লাশ সনাক্ত করা সম্ভব হয় নাই। ৯৩ জন শহীদের লাশ সনাক্ত করা হয়েছিল। যার মধ্যে চড়ারহাট (প্রাণকৃঞ্চপুর) গ্রামের ৬১জন এবং আন্দোলগ্রামের (সারাইপাড়া) ৩২ জন। ওই সময় এক কবরে একাধিক শহীদের লাশ দাফন করা হয়েছিল। সেইদিনের ঘটনা ও শহীদদের স্মৃতি আজও তাদের আপনজনদের মাঝে নাড়া দেয়। শহীদ পরিবারগুলির দাবী ছিল গণহত্যার স্থানে একটি স্মৃতি মিনার করে দেয়ার। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর ২০১১ সালে সেখানে একটি স্মৃতি মিনার তৈরীর ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক। মিনারের কাজ শেষ হলে তা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, দিনাজপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক জামাল উদ্দীন আহমেদ। প্রতি বছরের মত স্থানীয়রা আযোজন করেছেন আলোচনা সভা,মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্টানের।#