সমাবেশে বক্তব্য দিতে পারেননি নেতারা: বিএনপিতে এবার চূড়ান্ত ঝগড়া

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , বিষেশ বুলেটিন

5 October, 2018 -> 2:53 am.

সাধারণ নির্বাচনের আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হয়ে যাওয়া বিএনপির সমাবেশে বক্তব্য রাখার সুযোগ পাননি অনেক জাতীয় নেতৃবৃন্দ। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সেসব নেতারা। বিএনপির সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সর্বমোট ৪৬ জন। এই সংখ্যার ভেতর স্থানীয় এবং জাতীয়ভাবে যার কোন প্রভাব এবং গুরুত্বই নেই এমন বেশকিছু নেতাকেও বক্তব্য রাখতে দেখা গেছে। দলের জন্য হামলা-মামলার স্বীকার হওয়া ত্যাগী নেতারা ছিলেন ব্রাত্য, উপেক্ষিত। এসব নেতাদের বক্তব্য দেওয়ার কোনরকম সুযোগই দেওয়া হয়নি। এমনকি মঞ্চেও উঠতে দেওয়া হয়নি। সমাবেশে সবচেয়ে বেশী মানুষ নিয়ে আসা নেতারও কোন সুযোগ মেলেনি। বক্তব্য না দেওয়ার তালিকায় ছিলেন- হাবীব উন নবী খান সোহেল (ঢাকা মহানগর দক্ষিণ), চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ (ফরিদপুর), আলহাজ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (কুমিল্লা), সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু (কেন্দ্রীয় যুবদল), ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন (চাঁদপুর-১), মো. আক্তারুজ্জামান বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১০), জয়নাল আবেদীন (ভিপি) (ফেনী), সুকোমল বড়ুয়া (চট্টগ্রাম), অমর চন্দ্র মিস্ত্রি (পিরোজপুর-১), ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম (বরিশাল-১), আলহাজ মো. আব্দুল আউয়াল খান (কুমিল্লা-৪)। অনিন্দ ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে যশোর জেলা, এম এ সালামের বাগেরহাট জেলা, ওবায়দুল ইসলামের (বাগেরহাট-৪), ইয়াসীন আলী (কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল) চট্টগ্রাম, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), গফুর ভূঁইয়া (কুমিল্লা), খোকন ভূঁইয়া (কুমিল্লা দক্ষিণ), ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম (বরিশাল-১), আবুল হোসেন খান (বরিশাল-৬), নাজিম উদ্দিন আলম (ভোলা), মাসুদ আহমেদ তালুকদার (বরিশাল), আক্তারুজ্জামান বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১০) এবং মোফাখখারুল ইসলাম রানা (ময়মনসিংহ-১০), সফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম (ময়মনসিংহ উত্তর), এ এফ এম আতিকুল ইসলাম পিকুলের (জামালপুর), মো. ওবায়দুল হক সরকার বাবলু (গাইবান্ধা-৪), বাদলুর রহমান খান (টাঙ্গাইল-কালিহাতী), নাসিরুল হক সাবু (রাজবাড়ি-২), ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম (ধানমন্ডি), আফাজ উদ্দিন (মিরপুর), কামরুজ্জামান রতন (মুন্সীগঞ্জ), আফরোজা বেগম রীতা (মানিকগঞ্জ), হারুন অর রশীদ (রাজবাড়ী), আব্দুস সালাম পিন্টু (সখীপুর), হাসান সরকার (গাজীপুর), মো. শরীফুল আলম (কিশোরগঞ্জ), ইয়াজ্জেম হোসেন রোমান (শিবচর), কামাল জামান মোল্লা (শিবচর), অ্যডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার (নারায়ণগঞ্জ), আতাউর রহমান আব্দুর (নারায়ণগঞ্জ), সাখাওয়াত হোসেন খান (নারায়ণগঞ্জ)। দলের ত্যাগী নেতাদের বাইরে রেখে, অবাঞ্চিত ঘোষণা করে বিএনপি সামনের নির্বাচনে কতটুকু সুবিধা করতে পারবে তা দেখার অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ।