ব্রেকিং নিউজ-
রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রোভার স্কাউট গ্রুপের পাখির অভয়ারণ্য তৈরীর কার্যক্রম শুরু** তেঁতুলিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকনিকের বাস খাঁদে পড়ে নিহত ১** অমর একুশে বইমেলা ও রংপুরের আইডিয়া প্রকাশন** ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল শোডাউন ** নাগেশ্বরীতে দুধকুমর নদী থেকে বালু উত্তোলন হুমকীর মুখে, রাস্তা, ব্রীজ, মসজিদসহ শতশত বাড়ি** ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ দোকানের ভিতর থেকে নরসুন্দরেরর লাশ উদ্ধার** বিজিবি’র সদস্যদের তদন্ত শেষেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ** কাহারোলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনটি পদে ১৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা** বদরগঞ্জে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল** গঙ্গাচড়ায় ৫ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল **

ঠাকুরগাঁওয়ে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে নিলেন আ.লীগ নেতার ভাই

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , ঠাকুরগাঁও

27 September, 2018 -> 4:35 am.

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় অনুমতি ছাড়াই সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে। উপজেলা আকচা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম শহিদুল ইসলামের চাচাচো ভাই আবু হানিফের হস্তক্ষেপে বুধবার সকালে ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া এলাকার ১৪টি ‘আকাশমণি’ গাছ কেটে ফেলা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। ওই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মোখলেসুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ঠাকুরগাঁও বন বিভাগের উদ্যোগে ২০০৩-২০০৪ অর্থবছরে ১৬৫ জন উপকারভোগী আকচা ইউনিয়নের ৩৫ কিলোমিটার এলাকায় আকাশ মণি, শিশু, কড়ই, গড়াই সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩৫ হাজার গাছ লাগানো হয়। ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য মনসুর আলী বলেন, স্থানীয় ব্যবসায়ী আবু হানিফ শ্রমিক লাগিয়ে গাছ কেটে ফেলেছেন খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তিনি আকাশ মণি গাছের গুঁড়ির ৩৬টি খণ্ড পড়ে থাকতে দেখেন। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা শাহান শাহ আকন্দ বলেন, আকচা ইউনিয়নে গাছ কাটার বিষয়টি তার জানা নেই। তবে সামাজিক বনায়নের গাছ কোনো উপকারভোগীও যদি কাটতে চান, তাহলে বন বিভাগের কাছে প্রথমে আবেদন করতে হবে এবং উপজেলায় অনুমোদন নেওয়ার পর তিনি গাছ কাটতে পারবেন। নিয়ম না মেনে কেউ সামাজিক বনায়নের গাছ কাটলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আকচা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহীদুল ইসলামের বলেন, “আমার চাচাতো ভাই আবু হানিফ যে গাছগুলো কেটেছে সেগুলো মরা ছিল বলে আমি জানি। তবে গাছ কাটার সে অনুমতি নিয়েছিল কিনা তা আমার জানা নেই।” গাছ কাটার অনুমতির কোন কাগজ আছে কি না জানতে চাইলে আবু হানিফ বলেন, বন বিভাগ থেকে গাছ কাটার কোন অনুমতির কাগজপত্র নেই; তবে অনুমতির কাগজপত্র তৈরি হচ্ছে।