ব্রেকিং নিউজ-

রৌমারীতে সহিদুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

14 September, 2018 -> 7:14 am.

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ২নং শৌলমারী ইউনিয়নের সহিদুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক ও সহকারী শিক্ষক শাহিনুর ইসলাম বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকাসহ নানা অভিযোগ। সরকারের শিক্ষা নীতির তোয়াক্কা করছেন না তারা। এতে শিক্ষার্থীরা চরম হতাশায় ভুগছেন। স্লিপ প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের ওঠছে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে স্কুলে পাঠদান অবস্থায় গিয়ে জানা যায়, সহিদুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৭ সালে। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু থেকেই নানা অনিয়ম ও দূর্নীতি মধ্য দিয়ে। এছাড়াও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্করের চাচাতো ভাই হওয়ায় সহকারী শিক্ষক শাহীনুর রহমান বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি না টানানো, সময় মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হওয়া, নির্দিষ্ট সময়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করা, দুপুর ১২ টার মধ্যে বিদ্যালয় ত্যাগ করাসহ আরও অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিকসহ সকল শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ওই ৬জন শিক্ষক থাকলেও বিদ্যালয়ে মোট ৯০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তার মধ্যে ক্লাসে ৪৪ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। শিক্ষকদের অনিয়ম আর অবহেলার কারণে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ওই এলাকার জয়নাল, হাবিবুর, অহেদ মিয়া জানান, সহকারী শিক্ষক শাহিনুর ইসলাম প্রধান শিক্ষকের চাচাতো ভাই এ কারণে সে মাসে ৫-১০ দিনের বেশি বিদ্যালয়ে আসেন না। মাস শেষে শিক্ষক হাজিরা খাতায় পুরো মাসের স্বাক্ষর করে বিল উত্তোলন করে। এ বিষয়ে সহিদুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাবিনা ইয়াছমিন লিপি বলেন, শিক্ষকদের এতো বলার পরেও তারা কোনো কথাই মানছেন না। তারা যদি নিয়ম মতো স্কুলে এসে ক্লাশ নেন তাহলে স্কুলের শিক্ষার মান বাড়বে। তা না করে নিজের মতো করে স্কুলে আসেন আর যান। সহকারী শিক্ষক শাহিনুর ইসলাম সম্পর্কে জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসে জানানের পরও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহিনুর ইসলাম সে মাঝে মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকে এটা সত্যি। তাকে শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে নিষেধ করলেও সে কথা শোনেন না। সহকারী শিক্ষক শাহিনুর রহমান বলেন, আমার বিষয়ে যে অভিযোগ ওঠেছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। রৌমারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনিলাল শিকদার বলেন, আমিতো নতুন এসেছি, এবিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। #