ব্রেকিং নিউজ-

ফুলবাড়ীতে দুই দিন ধরে টানা বৃষ্টি, কৃষকদের মাঝে স্বস্তি

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , কুড়িগ্রাম

12 September, 2018 -> 5:19 am.

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে গত দুই দিন ধরে টানা বৃষ্টিতে নিন্মঞ্চল প্লাবিত। এতে উপজেলার সদরসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও বৃষ্টিই এলাকার কৃষির জন্য বড় আর্শীবাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। বৃষ্টিতে উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের আমন ধানের জমিগুলো ভরে যাওয়ায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে। শুধু আমান ধানেই নয় প্রাণ ফিরে পেয়েছে বিভিন্ন ধরণের সবজির ক্ষেতের। তাই দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে উপজেলার হাজার হাজার কৃষক-কৃষানী স্বস্তি পেয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ৬ টি ইউনিয়ন মিলে ১৩ হাজার ৫ শত ৪২ হেক্টর জমিতে কৃষক আমন ধান ও বিভিন্ন ধরণের সবজি লাগিয়েছে। তবে চলতি আমন মৌসুমে শ্যালো মেশিন ও সেচ দিয়ে এ উপজেলায় কৃষকরা জমিতে আমন ধান লাগিয়েছে। এ বৃষ্টি পেয়ে সব কিছুই তরতাজা হয়ে উঠেছে। তবে এ বৃষ্টি আর্শিবাদ হয়ে দেখা দিয়েছে এ জনপদের আমন ধান ও শীতকালীন বিভিন্ন ধরনের সবজির ক্ষেত। ভরা বর্ষা পেরিয়ে শরতের মাঝামাঝিতে এ বৃষ্টি পেয়ে হাজার হাজার কৃষকের মনে আনন্দে ভরে গেছে। উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের কৃষক নরেশ চন্দ্র, মইনুল ইসলাম ও নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক ধীরেন্দ্র নাথ রায়, হোসেন আলী ও ফনি চন্দ্র, আইয়ুব আলীসহ আরও অনেকেই জানান, আমন আবাদটা কৃষকের অনেক লাভজনক। তাই যে ভাবেই হোক আমরা আমনের চারা রোপন করেছি। কারণ এতে সেচ লাগে না বৃষ্টির পানিই যথেষ্ট। এতে ফলনও ভাল পাওয়া যায়। তবে এ বছর আমন চাষের সময় বৃষ্টি ছিল না। শ্যালো মেশিন সেচের কেনা পানি আর বাড়তি মজুরির কারণে বোরো ধানের মতো ব্যয় করে চারা রোপন করেছি। পাশাপাশি গত এক থেকে দেড় মাস আমন ক্ষেতে পানি দেওয়া অব্যাহত ছিল। হঠাৎ দুই দিনের টানা বৃষ্টির পানি আমন ক্ষেতে দেখে সত্যিই মন ভরে গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ জানান, এ বৃষ্টির পানি মাত্রাতিরিক্ত না হলেও এটি কৃষির জন্য বড় আর্শীরবাদ। নিন্মঞ্চল প্লাবনের র্দীঘ জলাবদ্ধতায় ক্ষতির আশংকাসহ কিছু আমনের জমি পাহাড়ী ঢল ও দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেলেও তেমন ক্ষতি হবে না। তবে এই বৃষ্টিটা কৃষকদের ধান ও সবজির বিশাল উপকারেই হবে।