ব্রেকিং নিউজ-
মংলা-বুড়িমারী বন্দরে সেবা দিতে শতভাগ দুর্নীতি : টিআইবি** দেশের উন্নয়ন বার্তা জনগণের মাঝে তুলে ধরার আহবান স্পীকারের ** বিরামপুরে মায়ের সাথে অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা** গোবিন্দগঞ্জে মিথ্যা মামলা দিয়ে জমি জোবর দখলে নিতে হুমকির অভিযোগ** গোবিন্দগঞ্জে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে চলছে গুচ্ছ গ্রামের নির্মানাধীন ঘরের কাজ ** রংপুরে তাজহাট থানার ওসির সাথে পুলিশিং কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাত** জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহে কৃমি নাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে ১লাখ ৪০ হাজার শিশুকে -রসিক মেয়র ** খালেদার বড়পুকুরিয়া মামলার চার্জ শুনানি পেছাল** বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি রংপুর জেলা শাখার ত্রি বার্ষিক সন্মেলন অনুষ্ঠিত ** রংপুর বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সভা আজ বিকেলে **

ওষুধ, মোটর সাইকেল, সিরামিক, টুপিসহ নয়টি পণ্য রপ্তানিতে ভর্তুকি দেবে সরকার

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , বিষেশ বুলেটিন

10 September, 2018 -> 11:58 am.

ওষুধ, মোটর সাইকেল, সিরামিক, টুপিসহ নয়টি পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ করে নগদ সহায়তা (ভর্তুকি) দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন হারে ভর্তুকি পাওয়া ২৬টি পণ্যের সঙ্গে এই নয়টি পণ্য নতুন করে যোগ হবে। সবমিলিয়ে রপ্তানিতে ভর্তুকি পাওয়া পণ্যের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫টি। সোমবার এক সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরে এই ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে ২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জাহাজীকৃত ৩৫টি পণ্য রপ্তানির বিপরীতে ভর্তুকি পাবে। যে নয়টি পণ্যে ১০ শতাংশ হারে ভর্তুকি দেওয়া হবে, সেগুলো হচ্ছে, ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য, ফটোভোলটাইক মডিউল, মোটরসাইকেল, কেমিক্যাল পণ্য (ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড), রেজার ও রেজার ব্লেডস, সিরামিক দ্রব্য, টুপি, কাঁকড়া ও কুঁচে (হিমায়িত ও সফটসেল, পরিবেশ ও বন বিভাগের ছাড়পত্র গ্রহণ সাপেক্ষে) এবং গ্যালভানাইজড শিট/কোয়েলস। অর্থাৎ কোনো রপ্তানিকারক এই নয়টির ১০০ টাকার পণ্য রপ্তানি করলে সরকারের কাছ থেকে ১০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৬ ধরনের পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও এসব পণ্য রপ্তানি মূল্যের বিপরীতে সর্বনিম্ন ২ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হবে। দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা ৪ শতাংশ, বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা ৪ শতাংশ, নতুন পণ্য বা বাজার সম্প্রসারণ সহায়তা (আমেরিকা, কানাডা ও ইইউ ছাড়া) ৪ শতাংশ, ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতে রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২ শতাংশ, হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে উৎপাদিত হস্তশিল্প রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ২০ শতাংশ, কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্যে ২০ শতাংশ, গরু-মহিষের নাড়ি-ভুঁড়ি, শিং ও রগ (হাড় ছাড়া) রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ, শতভাগ হালাল মাংস রপ্তানিতে ২০ শতাংশ, বরফ আচ্ছাদনের হারভেদে হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। চামড়াজাত পণ্য ও আসবাব রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য ও পেট বোতল-ফ্লেক্স রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, শস্য ও শাকসবজির বীজ এবং পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন রপ্তানিতে ২০ শতাংশ, পাটজাত দ্রব্যাদি রপ্তানিতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে। আলু রপ্তানিতে ২০ শতাংশ, সাভারে চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তরিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে ১০ শতাংশ এবং পাটজাত চূড়ান্ত দ্রব্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে দেশে উৎপাদিত কাগজ ও কাগজ জাতীয় দ্রব্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ এবং আগর ও আতর রপ্তানিতে ২০ শতাংশ ভর্তুকির বিষয়টি অপরিবর্তিত আছে। এছাড়া সিনথেটিক ও ফেব্রিকসের মিশ্রণে তৈরি পাদুকা, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালসে ইনগ্রিডিয়েন্টস (এপিআই), অ্যাকুমুলেটের ব্যাটারি ও নারকেল ছোবড়ার আঁশ দ্বারা উৎপাদিত পণ্য রপ্তানিতে ভর্তুকি পাবেন রপ্তানিকারকরা।।