ব্রেকিং নিউজ-

গ্যাসের কারণে থমকে আছে রংপুরের বিভিন্ন উন্নয়ন

10 August, 2018 -> 4:03 am.

উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ, সেই সাথে এগিয়ে চলছে উত্তরের জেলা রংপুর। জেলা থেকে বিভাগ, পৌরসভা থেকে সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে, এত কিছুর পরেও দেশের দারিদ্র্য মানচিত্রে সবচেয়ে দরিদ্র্যতম এলাকা হিসেবে উঠে এসেছে রংপুর বিভাগের নাম। সচেতন নাগরিকরা বলছেন, পর্যাপ্ত কল-কারখানা তৈরির অভাব, কর্মসংস্থানের অভাব ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন পদে নিয়োগে স্থানীয়দের সুযোগ না দেয়ায় দিন দিন এ অঞ্চলে বাড়ছে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যতা। তথ্যমতে, কৃষি নির্ভর এই এলাকায় বছরে মাত্র চার থেকে পাঁচ মাস কাজের সুযোগ থাকে কৃষিক্ষেত্রে বাকি সময় থাকতে হয় কর্মহীন। রংপুরের অনেক কল-কারখানা থাকলেও সব আজ মুখ থুবড়ে পড়ে আছে এর কারণ পণ্য উত্‍পাদনের কাঁচামালের অপর্যাপ্ততা এবং প্রধানত গ্যাস না থাকা। গ্যাস এর কারনে পার্শ্ববর্তী জেলা বগুড়ার ছোট-বড় কল-কারখানাগুলো আজ সচল এবং উত্‍পাদনমূখী। অপরদিকে আমাদের রংপুরের কারখানাগুলো দিন দিন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দেশের সর্ববৃহত্‍ কারখানাগুলো যেমন প্রাণ-আরএফএল এই এলাকার হওয়া স্বত্তেও এখানে তেমন কোন কারখানা নেই। বিসিক শিল্পনগরীর জায়গা সংকটের কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেক ব্যবসায়ীরাও। নানা সমস্যার কারণে দেশের বৃহত্‍ কৃষি নির্ভর উত্তরা ইপিজেড ধুকে ধুকে মরছে। দরিদ্র্যের হার দিন দিন বেড়েই চলছে। রংপুরের সাধারণ মানুষের মতে, এখানে উন্নয়ন সে দিনই সম্ভব যেদিন গ্যাস আসবে। চালু হবে সব কারখানা এবং স্থাপিত হবে কৃষি ভিত্তিক নতুন নতুন শিল্প কল-কারখানা। আজ রংপুরের মানুষ বিভিন্ন জেলায় গিয়ে কাজ করছে,চাকুরী করছে। কিন্তু রংপুরে যে কয়টা প্রতিষ্ঠান আছে সেখানে দেখা যায় স্থানীয় জনবলকে দিনমজুর কিংবা ছোট পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, এটা আশ্চর্যজনক। আমরা চাই রংপুরে গ্যাস এবং রংপুরের সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানে শতকরা ৫০ জনকে স্থানীয় পর্যায়ে সমভাবে নিয়োগ প্ৰদান করতে হবে। তাহলে বদলে যাবে রংপুর, বদলে যাবে দেশ।