ব্রেকিং নিউজ-
রংপুর সদর ৩ আসনে এরশাদের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ ** রংপুর ২ এর তারাগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করেন মাহফুজ উন নবী ডন"** রংপুরের তারাগঞ্জে নৌকার পক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা ** দেশটাকে আর ৭১-এ ফিরে নিবেননা: শিবলী সাদিক এমপি:** আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করা হবে মোতাহার হোসেন** শেখ কল্লোল আহম্মেদের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকীতে রিপোর্টার্স ক্লাবে দোয়া মাহফিল** রংপুর ৬ আসনে ড, শিরিন শারমিনের নির্বাচনী প্রচারনা শুরু ॥ মানুষের ঢল ॥ ** বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে রংপুরে জয়িতাগনকে সংবর্ধনা ** নীলফামারী-৪ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী ** নীলফামারীতে নারী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার**

গ্রেফতার বোমা মিজান: বিপাকে তারেক

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , বিষেশ বুলেটিন

9 August, 2018 -> 12:31 pm.

অবশেষে ধরা পড়লেন নিষিদ্ধ জেএমবির শীর্ষ নেতা জাহিদুল ইসলাম সুমন ওরফে জঙ্গি মিজান। তিনি বোমারু মিজান নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি এতো দিন পালিয়ে ছিলেন ভারতে। বোমা মিজান প্রথমে ভারতের কলকাতায় পলাতক ছিলেন। এরপর তাকে ভারতের ব্যাঙ্গালুরু এলাকার কাছাকাছি রমন নাগরার একটি বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। বোমারু মিজানকে গ্রেফতার করে ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। ২০১৪ সালের পর থেকে কুখ্যাত বোমা মিজান ভারতের বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করেছেন এবং দুর্ঘটনার মূলহোতাও তিনি । ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বোমা বিস্ফোরণের মূল হোতা এই বোমারু মিজান। বোমারু মিজানকে গ্রেফতারের সময় তার ডেরায় বেশ কয়েকটি উন্নত মানের ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায় এবং সেই সাথে পাওয়া যায় বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি। এই বোমা মিজান অন্যান্য জেএমবি সদস্যের তুলনামূলক অনেক কম সময়ে বোমা তৈরী করতে পারত। এজন্য বেশির ভাগ বোমা এই কুখ্যাত মিজানের হাতে তৈরি হত। মিজানের বোমারু মিজান নামে পরিচিত থাকলেও ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে তার নাম ‘কাওসার’। ২০১৪ সালে এই বোমা মিজানকে পুলিশ গ্রেফতারের পর প্রিজন ভ্যানে নিয়ে যাওয়ার সময় বোমা মেরে ও গুলি করে আরো দুই জঙ্গির সঙ্গে বোমারু মিজানকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বাকি দুইজন জঙ্গি ছিল জঙ্গি সানি ওরফে সালাউদ্দিন সালেহীন ও রাকিবুল হাসান ওরফে হাফেজ মাহমুদ। যদিও হাফেজ মাহমুদকে ওই দিন রাতে টাঙ্গাইলে সাধারণ জনতার সাহায্যে ফের গ্রেফতার করতে সক্ষম হন পুলিশ এবং বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। অন্যদিকে বোমারু মিজান ও সালেহীনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারা এরপর থেকে ভারতে আত্মগোপনে ছিল। অবশেষে গ্রেফতার হয় সেই কুখ্যাত আসামি। বোমা মিজান গ্রেফতার হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারেক। কারণ জঙ্গির মদদদাতা ছিলেন এই তারেক। বোমা মিজান গ্রেফতার হওয়ায় তারেকের অনেক অজানা তথ্য জানা যাবে এজন্যই অনেকটা কোনঠাসা হয়ে আছেন তারেক। জঙ্গি সংগঠন পরিচালনার জন্য তারেক অর্থের যোগান দিতেন। এছাড়াও অনেক বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারীও এই তারেক। তারেকের ঘাড়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি হামলার মামলা। বোমা মিজানের জবানবন্দিতে তারেকের এই মামলার পরিমান আরো বাড়বে। এজন্যই অনেকটা বিপাকে রয়েছে তারেক।