শিরোনাম-
কুড়িগ্রাম উলিপুরে স্কুল শিক্ষিকা অপহরনের চেষ্টা** 'হাসিনাকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল' রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় রেজাউল করিম রাজু ** দিনাজপুরে গোর-এ শহিদ ময়দানে ঈদের জামাত ৯টায়** ঠাকুরগাঁওয়ে চাচার হাতে ভাতিজি খুন** রংপুরে শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা** রংপুরে ক্যান্সারে আক্রান্ত দীপ্ত টিভির সাংবাদিকের সুস্থতার জন্য ওয়াদুদ আলীর দোয়া কামনা ** রংপুরে ঈদের প্রধান জামাত সাড়ে ৮টায়** যেভাবে কোরবানির পশুর যত্ন নিতে হবে** লালমনিরহাট ২ বিএনপি র মনোনয়ন প্রত্যাশী তালিকায় ইন্জিনিয়ার কামাল এগিয়ে** লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের বিভ্ন্নি গ্রামে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় **

ফুলবাড়ীতে আউশ ধানের বাম্পার ফলন

অনলাইন নিউজ

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , কুড়িগ্রাম

8 August, 2018 -> 6:23 am.

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে চলতি আউশ মৌসুমে মাঠ জুড়ে সবুজের সমারোহ। আবহাওয়া অনুকুল থাকায় প্রায় তিন হাজার কৃষক দারিদ্রতা হ্রাসের আশায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে ব্রি-৪৮ জাতের আউশ ধানের চাষ করেছে কৃষকরা। তারা বুকে আশা বেঁধেছে আউশ ধানের ফলন দেখে। মাঠ জুড়ে শুধুই ধান আর ধান। ভরা বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাত না থাকার সুযোগে কৃষকরা মনের আনন্দে ধান কাঁটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছে। গত বছরে তুলনায় এ বছর কৃষকরা ব্যাপক হারে আবাদ করেছে বাড়তি আউশ ধান ব্রি-৪৮। চন্দ্রখানা গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ মজনু বলেন, ব্রি-৪৮ আউশ ধান চাষ করে কৃষকরা বাড়তি আয় করে। রোরো ধান কাঁটার সঙ্গে সঙ্গেই কৃষকরা আউশ ধান রোপন করেন। মাত্র একশ দিনেই আউশ ধান কৃষকদের ঘরে আসে। ধান কাঁটার সঙ্গে সঙ্গেই একই জমিতে চলতি আমনের চারা রোপন করা হয়েছে। মাঝে ব্রি-৪৮ আউশ ধানটা এ অঞ্চলের কৃষকের বোনাস হিসাবে ঘরে আসে। তিনি আরও জানান, দুই বিঘা জমিতে ব্রি ৪৮ আউশ ধানের চারা রোপন করেছেন। প্রতি বিঘায় আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা খরচ হয় এবং ফলন হয়েছে প্রতি বিঘায় ধান শুকিয়ে ১৬ থেকে ১৭ মন করে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজের আউশ ধান কর্তনের শুভ সূচনা করেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবুর রশিদ, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আবু-বকর সিদ্দিকসহ ওই এলাকার কৃষকরা। এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ জানান, এ বছর ৪৫০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ করা হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে দ্বিগুন। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা আউশ ধানের বাম্পার ফলন পেয়েছে। এতে করে কৃষকদের দারিদ্রতা হ্রাসের সুযোগ সৃষ্টি হবে।