শিরোনাম-
কুড়িগ্রাম উলিপুরে স্কুল শিক্ষিকা অপহরনের চেষ্টা** 'হাসিনাকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল' রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় রেজাউল করিম রাজু ** দিনাজপুরে গোর-এ শহিদ ময়দানে ঈদের জামাত ৯টায়** ঠাকুরগাঁওয়ে চাচার হাতে ভাতিজি খুন** রংপুরে শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা** রংপুরে ক্যান্সারে আক্রান্ত দীপ্ত টিভির সাংবাদিকের সুস্থতার জন্য ওয়াদুদ আলীর দোয়া কামনা ** রংপুরে ঈদের প্রধান জামাত সাড়ে ৮টায়** যেভাবে কোরবানির পশুর যত্ন নিতে হবে** লালমনিরহাট ২ বিএনপি র মনোনয়ন প্রত্যাশী তালিকায় ইন্জিনিয়ার কামাল এগিয়ে** লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের বিভ্ন্নি গ্রামে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় **

রক্তচোষা ড.ইউনূস গর্ত থেকে আবার ষড়যন্রে

অনলাইন নিউজ

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , নিউজ ডেক্স

8 August, 2018 -> 12:50 am.

সাংবাদিক ওয়াদুদ আলীঃ- গরীবের রক্ত চোষা, শত শত পরিবারের চাকুরি খেয়ে পথে বসিয়ে দেওয়া ও কয়েক শ কোটি টাকার ট্যাক্স ফাকি দেওয়ার নায়ক,ওয়ান ইলেভেনের কুশিবল কিংস পার্টি উদ্যোক্তা ড.মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীরদের আন্দোলন যখন থেমে যাচ্ছে তখন তা উস্কে দেওয়ার জন্য ৬আগষ্ট গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে শিশু কিশোরদের উদ্দেশ্যে বলেছেন" তুমিই বাংলাদেশ! তোমার চোখেই দেখতে চাই বাংলাদেশকে। তোমরা পথ বের করেছো। তোমরা তোমাদের পথেই থাকো। তোমার মতো করে তুমি তোমার বাংলাদেশকে বানিয়ে নাও। গত সোমবার গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য লেখা এক নিবন্ধে তিনি এ কথা বলেছেন। ড. ইউনূস বলেন, দুই সহপাঠীর অপঘাত মৃত্যুর প্রতিবাদে স্কুলের শিশু- কিশোররা রাস্তায় নেমে শোক প্রকাশ করে থামেনি - এ রকম শোক যাতে ভবিষ্যতে কাউকে করতে না হয়, তার জন্য ব্যবস্থা চায় তারা। তারা নিরাপদ সড়ক চায়। সড়ক ব্যবস্থাপনার ক্ষেএে তারা প্রশাসনের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে শুধু তাই নয়, তারা নিজেরাই এই ব্যবস্থাপনায় নেমে দেখাতে চেয়েছে যে, আইনের প্রয়োগের অভাবেই মূলত সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। যারা আইনের প্রয়োগকারী তারা নিজেরাই যে আইন মানছে না সেটাও তারা দেখিয়ে দিলো। তাদের শৃংখলা দেখে হতবাক হয়েছি। সরকার তার সমস্ত বুদ্ধিমওা দিয়ে এখন শিশু - কিশোরদের হাত থেকে রাজপথ মুক্ত করার কাজে লেগেছে একনিষ্ঠভাবে। সরকার একটা বিরাট সুযোগ হাতছাড়া করে ফেললো। রাজপথ মুক্তির অভিযানে না গিয়ে সরকার সুন্দরভাবে শিশু-কিশোরদের, তাদের বাবা- মাদের, দেশের সকল মানুষের ক্ষোভমুক্তির কাজে নামালে রাজপথও মুক্ত হতো, সকল মানুষের বাহবা পেতো। তিনি বলেন,আমরা বড়রা তাদের উপদেশ দেবার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছি।আমরা গর্তের ভেতর থাকা মানুষ। গর্তের ভেতরে থেকে উপদেশ দেয়া যায় না(দৈনিক ইত্তেফাক ৭ আগষ্ট ২০১৮)। ড.ইউনূসের বিবৃতি পড়ে আশ্চর্য হলাম। কারন তিনি যেদিন বিবৃতি দিয়েছেন ঐ দিন ঢাকায় বেশ কয়েক জায়গায় স্কুল শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে না থাকলেও তাদের নাম ভাঙিয়ে ব্যাপক সহিংস ঘটনা ঘটে।শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সপ্তাহ পর যখন সরকারের পদক্ষেপে পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে সেই সময় ড.ইউনূস গর্ত থেকে (উনার বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন)কেন বের হয়ে উস্কানিমূলক বিবৃতি দিলেন তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।আমি মনে করি তিনি আবারও ওয়ান ইলেভেনের ষড়যন্র করছেন। তিনি(ড.ইউনূস)আরেক জায়গায় বলেছেন"সরকার তার সমস্ত বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এখন শিশু-কিশোরদের হাত থেকে রাজপথ মুক্ত করার কাজে লেগেছে একনিষ্ঠভাবে।সরকার একটা বিরাট সুযোগ হাতছাড়া করে ফেললো।রাজপথ মুক্তির অভিযানে না গিয়ে সরকার সুন্দরভাবে শিশু-কিশোরদের,তাদের বাবা-মা'দের,দেশের সকল মানুষের ক্ষোভমুক্তির কাজে নামলে রাজপথও মুক্ত হতো,সকল মানুষের বাহবা পেত।.......আমরা গর্তের ভেতর থাকা মানুষ। গর্তের ভেতর থেকে উপদেশ দেয়া যায় না"কি উদ্ভট কথা।সকল মানুষের ক্ষোভ মুক্তির কাজ হিসেবে ড.ইউনূস যা বলেছেন সরকার কি তা করছে না?তিনি হঠাৎ গর্ত থেকে কেন বের হয়ে উস্কানি দিলেন তা সরকারকে খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। তার পিছনে হঠাৎ কে সাহস ও শক্তি যোগালো তা পরিস্কার হওয়া প্রয়োজন।কারন এই রক্তচোষা ইউনূস এর আগে ও দেশ ও বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্র করেছেন সচেতন দেশবাসী তা ভুলে যায় নি।এই খলনায়ক গভীর ষড়যন্র করছেন শিশুদের কে হাতিয়ার বানিয়ে দেশের পরিস্হিতি অস্হিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার জন্য।না হলে ঢাকায় পরিস্হিতি যখন প্রায় স্বাভাবিক তখন তিনি গর্ত থেকে কেন নসিহত দিলেন? যিনি গর্তে থাকেন তিনি কেন সেখান থেকে হঠাৎ সরব হলেন?এর আগেও তিনি দেশে ও বিদেশে গিয়ে অন্দরমহল (গর্ত)থেকে সকল ষড়যন্র করেছেন।