শিরোনাম-
কুড়িগ্রাম উলিপুরে স্কুল শিক্ষিকা অপহরনের চেষ্টা** 'হাসিনাকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল' রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় রেজাউল করিম রাজু ** দিনাজপুরে গোর-এ শহিদ ময়দানে ঈদের জামাত ৯টায়** ঠাকুরগাঁওয়ে চাচার হাতে ভাতিজি খুন** রংপুরে শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা** রংপুরে ক্যান্সারে আক্রান্ত দীপ্ত টিভির সাংবাদিকের সুস্থতার জন্য ওয়াদুদ আলীর দোয়া কামনা ** রংপুরে ঈদের প্রধান জামাত সাড়ে ৮টায়** যেভাবে কোরবানির পশুর যত্ন নিতে হবে** লালমনিরহাট ২ বিএনপি র মনোনয়ন প্রত্যাশী তালিকায় ইন্জিনিয়ার কামাল এগিয়ে** লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের বিভ্ন্নি গ্রামে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় **

আন্দোলনে নিয়োজিত কর্মীদের টাকা দিতে নারাজ বিএনপি নেতারা, প্রতিরোধের হুমকি কর্মীদের

অনলাইন নিউজ

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , নিউজ ডেক্স

7 August, 2018 -> 1:01 pm.

আন্দোলনের রসদ যোগাতে না পারায় দলে দলে ছাত্রদল-শিবির কর্মীরা আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। এতে করে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিএনপি-জামায়াত। আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পুলিশ ও ছাত্রলীগ প্রতিহত করে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের রক্ত দিয়ে প্রতিদান দেওয়ার কথা ছিল- সেটি আর দিতে পারছে না তারা। মিথ্যা আশ্বাসে সত্য-মিথ্যা না যাচাই করে ইতোমধ্যেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম করে রাজধানীবাসীকে যথেষ্ট ভুগিয়েছে দলটির কর্মীরা। তাদের হিংসাত্মক আচরণে খুব খুশি হয়েছেন তারেক রহমান। প্রতিদানস্বরূপ তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে পুরষ্কার দেওয়ার জন্য মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাস ও আবদুল আউয়াল মিন্টুকে আদেশ দেন তারেক। কিন্তু তারেক রহমানের আদেশ অমান্য করে এই নেতারা কারো ফোন ধরছেন না। টাকা দিতে তালবাহানা করছেন তারা। যার ফলে আন্দোলনে কাজ করা কর্মীরা এই তিন নেতাকে প্রতিরোধ করা এবং আন্দোলন থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছেন। সূত্র বলছে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে বাগে আনতে দলটির সিনিয়র নেতাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন লন্ডনে পলাতক বিএনপি নেতা তারেক রহমান। পারিবারিক অশান্তি, জায়গা-জমির ঝামেলা, ব্যবসায় ক্ষতি, অসুস্থতার বাহানা করে আন্দোলন থেকে নিজে দূরে রাখেন সিনিয়র নেতারা। আন্দোলন করে জেল-জুলুম সহ্য করলেও শেষ সময়ে তাদের মূল্যায়ন করা হয় না বলে তাদের অভিযোগ। সিনিয়র নেতারা তারেক রহমানকে অবজ্ঞা করলেও ছাত্রদল-শিবির কর্মীরা ঠিকই মাঠে নেমে তাণ্ডব চালায়। আন্দোলন করলে পয়সা মিলবে এমন প্রলোভনে পড়ে তারা ভাঙচুর চালিয়ে সরকার পতনের অপচেষ্টা চালায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় তারেক রহমানের মিশন। আন্দোলনে সুফল না পাওয়ায় তারেক রহমান ভয়ে তার মোবাইল বন্ধ করে রেখেছেন। এদিকে মির্জা ফখরুল, আব্বাস, মিন্টুর মতো টাকাওয়ালা নেতারাও কর্মীদের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তারেক রহমানের কাছ থেকে টাকা নেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা। সিনিয়র তিন নেতাদের এমন নগদ পল্টিতে মাথা নষ্ট হয়ে গেছে ছাত্রদল-শিবির কর্মীদের। জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করে প্রাপ্তির খাতা শূন্য হওয়ায় চরম ক্ষিপ্ত তারা। সময় মতো টাকা পরিশোধ না করলে ওই তিন নেতাকে জনসম্মুখে প্রতিরোধ করা, পিটিয়ে তক্তা বানানো এবং মিথ্যাচারের জন্য মেরে হাড়গোড় ভেঙ্গে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছেন অর্থবঞ্চিত কর্মীরা। এদিকে আবদুল আউয়াল মিন্টু টাকা দিতে সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তার মতে, কোমলমতি ছাত্রদের আন্দোলনে দলীয় কর্মীদের আক্রমণ, পুলিশের উপর হামলার ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সুতরাং টাকা দেওয়ারও কোন অর্থ হয় না। এর জন্য তারেক রহমান যা করার করতে পারেন। আমি কাউকে ভয় পাই না।