শিরোনাম-
কুড়িগ্রাম উলিপুরে স্কুল শিক্ষিকা অপহরনের চেষ্টা** 'হাসিনাকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল' রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় রেজাউল করিম রাজু ** দিনাজপুরে গোর-এ শহিদ ময়দানে ঈদের জামাত ৯টায়** ঠাকুরগাঁওয়ে চাচার হাতে ভাতিজি খুন** রংপুরে শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা** রংপুরে ক্যান্সারে আক্রান্ত দীপ্ত টিভির সাংবাদিকের সুস্থতার জন্য ওয়াদুদ আলীর দোয়া কামনা ** রংপুরে ঈদের প্রধান জামাত সাড়ে ৮টায়** যেভাবে কোরবানির পশুর যত্ন নিতে হবে** লালমনিরহাট ২ বিএনপি র মনোনয়ন প্রত্যাশী তালিকায় ইন্জিনিয়ার কামাল এগিয়ে** লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের বিভ্ন্নি গ্রামে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় **

চাকরি হারাতে হলো বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের ৩ সদস্যের

অনলাইন নিউজ

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , নিউজ ডেক্স

6 August, 2018 -> 11:22 am.

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের তিন সদস্য চাকরি হারাতে হয়েছে। তারা হলেন, কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন, চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী (সিএসএফ) মো. মাসুদার রহমান মাসুদ ও মো. এনামুল হক এনাম। বিএনপির নেতারা বলছেন, এই তিনজনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল। বর্তমানে তা মাত্রা অতিক্রম করায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। তবে ওই তিন সদস্যের বিষয়ে বিএনপির অভ্যন্তরে তৈরি হয়েছে আলাদা গুঞ্জন। অনেকে বলছেন, তারেক রহমানের রোষাণলে পড়েই চাকরি হারাতে হয়েছে তাদের। আবার এমন গুঞ্জনও উঠেছে যে, তারেক রহমানের চাঁদাবাজি থেকে ভাগ বসানোর দায়ে তাদের সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে বিএনপির অভিযোগ, চাকরি হারানো ওই তিন সদস্য গুলশান কার্যালয়ে নিজেদের ব্যাপক প্রভাবশালী মনে করত। চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম ভাঙিয়ে নেতা-কর্মীসহ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগও ছিল তাদের বিরুদ্ধে। তিনি জেলে যাওয়ার পরপরই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। এরপরই তাদের সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে এই তিন সদস্যকে গুলশান কার্যালয়ে আসতে নিষেধ করে দেওয়া হয়। তবে তিনজনই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরে জসিম ও এনাম গুলশান কার্যালয়ে আসছেন না। বিএনপি চেয়ারপারসনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মাসুদের কিছুটা যোগাযোগ রয়েছে। তাকেও দায়িত্ব পালনে নিষেধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলতে গুলশান কার্যালয়ের সমন্বয়কারী ও পুলিশের সাবেক আইজি এম এ কাইয়ুমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।