শিরোনাম-
কুড়িগ্রাম উলিপুরে স্কুল শিক্ষিকা অপহরনের চেষ্টা** 'হাসিনাকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল' রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় রেজাউল করিম রাজু ** দিনাজপুরে গোর-এ শহিদ ময়দানে ঈদের জামাত ৯টায়** ঠাকুরগাঁওয়ে চাচার হাতে ভাতিজি খুন** রংপুরে শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা** রংপুরে ক্যান্সারে আক্রান্ত দীপ্ত টিভির সাংবাদিকের সুস্থতার জন্য ওয়াদুদ আলীর দোয়া কামনা ** রংপুরে ঈদের প্রধান জামাত সাড়ে ৮টায়** যেভাবে কোরবানির পশুর যত্ন নিতে হবে** লালমনিরহাট ২ বিএনপি র মনোনয়ন প্রত্যাশী তালিকায় ইন্জিনিয়ার কামাল এগিয়ে** লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের বিভ্ন্নি গ্রামে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় **

২০ দলীয় জোটের ভবিষ্যত

অনলাইন নিউজ

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , নিউজ ডেক্স

6 August, 2018 -> 11:12 am.

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে টানাপোড়েন। চাওয়া-পাওয়ার হিসাব মেলাতে গিয়ে তাদের মধ্যে দূরত্ব বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী রাখার ব্যাপারে জামায়াত অনড় থাকায় এ টানাপোড়েন অনেকটা স্পষ্ট হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আসন ভাগাভাগি নিয়ে এ টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। বিএনপির একাধিক নীতি নির্ধারক জানান, জামায়াতের একটি অংশের কার্যক্রমের ওপর অনেক আগে থেকেই আমরা নজর রাখছি। তাদের কর্মকাণ্ডকে সন্দেহের চোখে দেখছি। দলের হাইকমান্ডও বিষয়টি অবহিত। তবে এ মুহূর্তে রাজনৈতিক নানা হিসাব-নিকাশ করেই কোনো কৈফিয়ত চাওয়া হচ্ছে না। গত অক্টোবরে জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদ, সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানসহ আট কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেফতার হন। তারা এখনও কারাগারে। তাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে জামায়াতের ডাকা হরতালের দিন দুপুরবেলায় সমর্থনের কথা জানায় বিএনপি। এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের শীর্ষ পাঁচ নেতার ফাঁসি কার্যকরের পর কর্মসূচিতে বিএনপির সমর্থন ছিল না। একে জামায়াতের দলীয় ইস্যু বলে ‘এড়িয়ে যায়’ বিএনপি। খালেদা জিয়ার মামলার রায়কেও বিএনপির দলীয় ইস্যু হিসেবে দেখছে জামায়াত। এজন্য মাঠে নামতে নারাজ জামায়াত । তবে জামায়াত নেতারা বলেছেন, অতীতে বিএনপির সমর্থন না পাওয়ার কারণে ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তার জন্যই তারা কঠোর আন্দোলনে নামতে নারাজ। ২০১৩ ও ২০১৫ সালের ‘আন্দোলনে’ বিএনপিকে ‘সর্বাত্মক সমর্থন’ দিয়ে রাজপথে ছিল জামায়াত। তাদের হিসাবে এ আন্দোলনে জড়িয়ে তাদের তিন লাখ ৬০ হাজার নেতাকর্মী মামলার আসামি হয়েছেন। শতাধিক নেতাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে সংঘর্ষ-সহিংসতায়। আন্দোলনে নামলে আবারও একই অবস্থার মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কায় বিএনপির জন্য ঝুঁকি নিয়ে পথে নামতে আগ্রহী নয় জামায়াত। গোপন সূত্রে জানা যায়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অর্ধশতাধিক আসনের একটি তালিকা করছে জামায়াত। আনুষ্ঠানিকভাবে সেই তালিকা বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে উপস্থাপন করা হবে। তবে বিএনপি জামায়াতের এই তালিকা মানবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তিন সিটি নির্বাচন সহ গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনে জামায়াতকে নির্বাচন করতে না দেওয়ায় নতুন করে আবার বিএনপি-জামায়াত টানাপোড়েন শুরু হয়। এদিকে ২০ দলীয় জোটের প্রধান দুই শরিক দলের এমন টানাপোড়েন নিয়ে শঙ্কায় আছে বাকি শরিকদলগুলো। তবে কি অবশেষে ভাঙতে চলেছে ২০ দলীয় জোট?