ঠাকুরগাঁওয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতিকে মারধরের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , ঠাকুরগাঁও

24 July, 2018 -> 12:01 pm.

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দৌলতপুর এসকে বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতিকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এমন অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুস শহীদ বাবু। লিখিত বক্তব্য পাঠকালে সভাপতি আব্দুস শহীদ বাবু অভিযোগ করে বলেন, গত ৪ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর এসকে বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বিদ্যালয়ের খাতাপত্রে আয়-ব্যয়ের হিসাবে প্রায় ৩০ লাখ টাকার দুর্নীতি দেখা যায়। বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দীন ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনসহ বেশ কয়েকজন মিলে বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গজেন্দ্র নাথ রায় মানসিক ভারসাম্যহীন। এজন্য তিনি বিদ্যালয় থেকে ছুটি নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, গত ২২ জুলাই সকালে তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। এ সময় অফিস কক্ষে প্রবেশ করা মাত্রই প্রধান শিক্ষক গজেন্দ্র নাথ রায় ও তাঁর ছেলে নিশা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তিনি এর প্রতিবাদ করলে তাঁরা তাকে মারধরট করে এবং হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে ঘটনা ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করে। আব্দুস শহীদ বাবু জানান, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দীনের ভাই মো: গোলাম মোস্তফাকে সে সময় অবৈধ পন্থায় বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার সার্টিফিকেট যাচাইকালে দেখা যায় তিনি যে সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন তার পরের বছর ডিগ্রী পাশ করেছেন। এসব বিষয়ে তাকে জবাব দিতে বলা হলে তিনিও আত্মসাত্কারীদের পক্ষ অবলম্বন করে সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রে লিপ্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের লেলিয়ে দেন। এসব সকল ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান তিনি। একইসঙ্গে দুর্নীতির সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি জাকির মোস্তাফিজ মিলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক লুত্ফর রহমান মিঠুসহ জেলার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদ কর্মীরা।