রংপুরে তৃতীয় পক্ষের রোষানলে নাবালক শিশু কারাগারে !

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , রংপুর

8 July, 2019 -> 4:08 am.

আহসান হাবীব মিলন- রংপুর মহানগরীতে ৬ বছরের শিশুকে যৌন পীড়ন ঘটনায় সপ্তম শ্রেনীর এক ১৪ বছরের কিশোর বর্তমানে যশোর শিশু কারাগারে ,এলাকাবাসী সহ উক্ত মামলার সাক্ষীর অভিযোগ--মামলাটি মিথ্যা ও বানোয়াট এবং গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার ভুক্তভোগি নাবালক কিশোরটি সহ তার পরিবার ! এজাহার সুত্রে জানাযায় নগরীর শান্তিবাগ খামারমোড় (বিদ্যুৎ অফিসের পিছনে সেকেন্দার আলীর বাড়ীর ভারাটিয়া রিক্সা চালক শাহালম মিয়ার ৬ বছর বয়সি শিশু কন্যা শারমীন আক্তারকে পাশের বাড়ীর আবু রায়হানের কনিষ্ঠ পুত্র আবু সাঈদ সৌমিক (১৪) চকলেট খাওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজ বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে যৌন পীড়ন ঘটায় ,এ নিয়ে ঘটনার পরের দিন গত ২২/৬/১৯ইং তারিখে রংপুর কোতয়ালী আরপি এমপি থানায় মেয়ের পিতা সাহালম মিয়া বাদী হয়ে নাবলক সৌমিক কে আসামী করে একটি মামলা দ্বায়ের করেন মামলা নং ৪৪/৩১১ ! এরই ধারাবাহীকতায় উক্ত নাবালক ছেলের বড় ভাই মোঃ খোকন মিয়া ৩০ ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস অফ বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন রংপুর প্রতিনিধিকে লিখিত অভিযোগে জানান তার ছোট ভাই সৌমিক'কে মিথ্যা মামলায় জিম্মি করে প্রতারক চক্রের মাধ্যমে ৫০হাজার টাকা দাবী করছেন শিশু শারমীনের বাবা মামলার বাদী সাহালম মিয়া ! সেই অভিযোগ সু্ত্রে সরেজমিনে গিয়ে উক্ত মামলার ১নং সাক্ষি ফুলবানু ৩০ এর সঙ্গে কথা হইলে তিনি জানান মেয়ের বাবা সাহালম মিয়া ও তার স্ত্রী সন্তান গত একমাস পুর্বে তার বাসায় ভাড়াটিয়ে হিসাবে উঠেন ,একই বাড়ীতে ওয়াদুদ মিয়া নামক ব্যক্তি তার পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ভাড়া থেকে আসছে ঘটনার দিন ওয়াদুদ মিয়ার মেয়ের বিয়ে,পুরো বাড়ী জুড়ে ছিল মানুষের সমাগম সেখানে এই ধরনের অশ্লীল কোন ঘটনা ঘটেনি যা ঘটেছে তা পুরোটাই তৃতীয় কোন পক্ষের কারসাজি ,এনিয়ে ৩নং সাক্ষি বাড়ীর মালিক সেকেন্দার আলীর সঙ্গে কথা হইলে তিনি জানান এজাহারে ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন বিকাল ৫টা ,সে সময় আসে পাশের লোকজন সবাই বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত এত লোকের ভিড়ে ঐ ঘটনা ঘটা অসম্ভব আর শিশু শারমীন কে বাড়ির এদিক সেদিকে খেলা ধুলায় লিপ্ত থাকতে দেখা যায় অনেক রাত পর্যন্ত যদি সেরকম কিছু হয়ে থাকে তাহলে সেই রাতেই এলাকায় জানাজানি হইতো,এ বিষয়ে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দা সুফিয়া বেগম ৩৫ বিলকিছ বেগম ৪০ হাজেরা বেগম ৪৫ রুনা বেগম ৩০ আনোয়ারা বেগম ৫০ মোখলেছুর রহমান সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরো অনেকে অভিযোগ আকারে জানান ঘটনার দিন বিকাল ৪ টা থেকে রাত সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তারা আসামি সৌমিকের বাড়ির গেটে বসে আমরা আড্ডায় দিয়ে বিয়ে বাড়ির খোজ খবর সহ তাদের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বার্তা বলি ,তখন পর্যন্ত সৌমিক বিয়ে বাড়ীর লোকজনদের খাওয়া দাওয়ার জন্য ব্যস্ত ছিলো ,আসামি যদি সেই বাচ্চা মেয়েকে নিয়ে তার নিজ বাড়িতে ঢুকতো তাহলে আমাদের চোখে অবশ্যই পরতো এটা পুরোটাই একটি পরিকল্পিত নাটক ! এই বিষয়ে মামলার বাদীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার জন্য চেষ্ঠা করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ! এই ঘটনার আলোকে ২১ ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহাবুবুর রহমান মন্জু'র সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান বিষয়টি আমার জানা আছে এ বিষয় নিয়ে মামলার আয়ু মুর্শিদ আলমের সঙ্গে কথা হয়েছে তিনি বলেছেন আপনারা আগে জামিন নেন পরে মিমাংসার কাগজ পত্রাদী দিলে আমরা বিষয়টি বিবেচনা করবো ! এনিয়ে মামলার তদন্তে থাকা সাব-ইন্সপেক্টর মুর্শিদ আলমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান ২০০০ সালের নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনের সং /০৩ এর ১০ ধারায় মামলা হয়েছে তদন্ত সার্থে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না তদন্ত চলমান রয়েছে ! এবিষয়ে মানবাধিকার কর্মি মোছাদ্দেক হোসেন রাঙ্গা'র সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান যে অভিযোগ যে সত্য হবে তা নয় বিষয়টি নিয়ে আমরা নীবির ভাবে খতিয়ে দেখছি !