নিউজিল্যান্ড ট্রাজেডিতে রংপুরের কেশোয়ারা সুলতানা মারা যাননি

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , কুড়িগ্রাম

15 March, 2019 -> 2:09 pm.

নিউজিল্যান্ডে ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষিতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদের স্ত্রীর বাড়ী রংপুরের গুপ্তপাড়ায়। তিনি মরহুম আইনজীবী কাজী নাসিমুল হক এর পাঁচ মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে।কেশোয়ারা সুলতানা মারা যাননি বলে জানিয়েছেন তার বড় ছেলে তোহান মোহাম্মদ এবং রংপুরে বসবাসরত তার ভাইয়েরা। শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টায় রংপুরের গুপ্তপাড়ায় কেশোয়ারা সুলতানা এর বাসায় গেলে তার ভাই বায়জীদ বিল্লাহ ও নাজমুস সাকিব রঞ্জু একথা জানান। ঘটনার পর তারা কেশোয়ারা সুলতানা এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়েছেন যে তিনি বেঁচে আছেন তবে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে করছেন তারা। তারা জানান, বিভিন্ন মিডিয়ায় বোনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানান,নিহত ড. আব্দুস সামাদের বাড়ি নাগেশ্বরী উপজেলার মধুরহাইল্যা গ্রামে। তার বাবা জামাল উদ্দিন সরকার। পাঁচ ভাই ও ছয় বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। তার ছোট ভাই আসাদ সরকার মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। ড. সামাদ ২০১৩ সালে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরি ছেড়ে দিয়ে নাগরিকত্ব নিয়ে স্ত্রী কেশোয়ারা সুলতানা, ছেলে তোহান মোহাম্মদ, তারেক ও তানভিরসহ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরে স্থায়ী বসবাস শুরু করেন।পরে বড় ছেলে তোহান মোহাম্মদ দেশে ফিরে এসে বসবাস করলেও বাকিরা সেখানেই থেকে যান। সেখানে তিনি ‘মসজিদে নুর’-এ মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্বপালন করছিলেন। সবাইকে নিয়ে আগামী ঈদুল ফিতরের আগে তার দেশে ফেরার কথা ছিল।গত ১৯৮০ সালে উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রী কেশোয়ারা সুলতানাকে বিয়ে করেন। কেশোয়ারা সুলতানা পাঁচ বোন দশ ভাইয়ের মধ্যে বোনদের মধ্যে সবচেয়ে বড়। পরে তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশব্বিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাশ করে ১৯৮২ সালে ড. আব্দুস সামাদের নিউজিল্যান্ডে যান। ১৯৮৭ সালে স্বামীর সাথে দেশে ফিরে আসেন পরে ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডে গৃহবধু হিসেবে স্বামীর সাথে বসবাস করেন। সিংকঃ বায়জীদ বিল্লাহ – কেশোয়ারা সুলতানার ছোট ভাই। সিংকঃ নাজমুস সাকীব- কেশোয়ারা সুলতানার ছোট ভাই। আফতাব হোসেন রংপুর