গঙ্গাচড়ায় শিক্ষা অফিসারের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , রংপুর

14 March, 2019 -> 9:40 am.

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু-শিক্ষককে লাি ত কারী শিক্ষককের শাস্তি ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অপসারণের দাবিতে গতকাল মানবন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে শিক্ষকবৃন্দ। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ দাখিল করে। জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে ও মাসিক সমন্বয় সভায় যোগদান শেষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আবু রেজা মোঃ শামসুল কবীর মুকুলকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশেকুল আহাদ, আঞ্জুমান আরা ও নাছরিন খানম উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলার জন্য ওনার কক্ষে নিয়ে যান। উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কথা চলাকালীন সময়ে রামদেব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল হামিদ ও গঙ্গাচড়া মধ্যপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহেদুল ইসলাম শিক্ষা অফিসারের কক্ষে প্রবেশ করে আকস্মিকভাবে আবু রেজা মোঃ শামসুল কবীর মুকুলকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে। মুকুল প্রতিবাদ করলে তারা তাকে শারিরিকভাবে লাি ত করে। এ সময় বিদিতর আহম্মেদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজাহার হোসেন শাহ তাদের কবল থেকে মুকুলকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে আসলে হামিদ ও জাহেদুল আজাহারকে এলোপাতারি কিল ঘুষি মারে আহত করে। এ ঘটনাটি শিক্ষকদের মাঝে জানাজানি হলে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ শিক্ষকগণ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের উপস্থিতিতে এ ধরণে ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে যান। উপজেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম আসাদুজ্জামান প্রতিকার চাওয়া শিক্ষকবৃন্দসহ অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে অসদ আচরণ করেন। শিক্ষক আবু রেজা মোঃ শামসুল কবীর মুকুল জানান, কোন কারণ ছাড়াই শিক্ষক হামিদ ও জাহেদুল আমাকেসহ শিক্ষক আজাহার হোসেনকে অন্যায়ভাবে লাি ত করে। আমরা শিক্ষকবৃন্দ আমাদের অভিভাবক হিসেবে শিক্ষা অফিসারকে ওনার উপস্থিতিতেই লাি তের ঘটনার জন্য বলতে গেলে ওনি উল্টো আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দেখান। এদিকে সিনিয়র দু-শিক্ষককে লাি ত কারী শিক্ষককে শাস্তি ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের ইন্ধনে এ ঘটনা ঘটিয়েছে দাবি করে তার অপসারণ চেয়ে উপজেলা পরিষদ চত্তরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে মানবন্ধন পালন করে শিক্ষকবৃন্দ। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রধান ও সহকারীদের মধ্যে আবু রেজা মোঃ শামসুল কবীর মুকুল, আব্দুল ওয়ারেছ, শফিকুল ইসলাম, সাজু আহম্মেদ, নিলুফা ইয়াছমিন, গোলাম মোস্তফা, দিলিীপ কুমার, মোস্তাকিন বিল্লা প্রমুখ। বক্তব্যে বক্তাগণ বলেন বিদ্যালয় ফাঁকি দিয়ে ওই দুই শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি কাজে সহযোগীতা করে সাধরণ শিক্ষকদের নানান ভাবে হয়রানী করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। শিক্ষা অফিসার তাদের মাধ্যমে উৎকোচ বানিজ্য করে শিক্ষা অফিসকে দুর্নীতির আস্থানা বানিয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম আসাদুজ্জামান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার বলেন তারাই অবৈধ সুবিধা না পেয়ে এ ধরণের অপপ্রচার করছে।