গঙ্গাচড়ায় এসকেএস বাজারে অবৈধভাবে টোল আদায়ের অভিযোগ

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , রংপুর

12 March, 2019 -> 8:48 am.

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নের শেখ হাসিনা সেতুর উত্তরে পূর্ব ইচলী এলাকায় মহিপুর টু কাকিনা রোডের পাশে এসকেএস বাজারে মাইকিং করে রবিবার ও বৃহস্পতিবার হাট বসিয়ে ব্যবসায়ী ও বিক্রেতার কাছ থেকে অবৈধভাবে টোল আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে ইউপি সদস্য ও চৌকিদারের বিরুদ্ধে। এতে সরকার বি ত হচ্ছে রাজস্ব থেকে আর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ইজারা দেওয়া কাশিয়াবাড়ির হাটে কমে গেছে বিক্রেতা। ফলে কাশিয়াবাড়ি হাটের ইজারাদার হচ্ছে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছে কাশিয়াবাড়ির হাটের ইজারাদার। অভিযোগে ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার স্বনামধন্য কয়েকটি হাটের মধ্যে কাশিয়াবাড়ি হাট একটি। উক্ত হাটটি সরকারিভাবে প্রতিবছর ইজারা দিয়ে রাজস্ব পাচ্ছে। ওই হাট যাওয়ার পথে পূর্ব ইচলী এলাকায় পাকা রাস্তার ধারে কয়েক বছর আগে একটি এনজিও চর এলাকার মানুষের সুবিধার্তে জমির মালিকের সাথে চুক্তিমোতাবেক এসকেএস বাজার স্থাপন করে। কিন্তু এ বছর ইউপি সদস্য হায়দার আলী, সাবেক ইউপি সদস্য বেলাল হোসেনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, চৌকিদার আমজাদুলসহ এলাকার রাজু মিয়া, দুলাল মিয়া এসকেএস বাজারে রবিবার ও বৃহস্পতিবার হাট বসিয়ে চরের মানুষের লাভজনক ফসল তামাক বিক্রির জন্য মাইকিং করে। হাটে যারা তামাকসহ নিত্যপন্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য আসে তারা বিক্রেতা ও ক্রয়কারীর কাছ থেকে অবৈধভাবে টোল আদায় করে। এতে করে পাশের কাশিয়াবাড়ির হাটের বিক্রেতা কমে যাওয়ায় হাট ইজারাদার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। কাশিয়াবাড়ি হাটের ইজারাদার মোবাশ্বের আহমেদ জানান, সরকারি ভাবে ইজারা দেওয়া হাট থাকা সত্বেও তারা আর্থিক সুবিধা হাসিলের জন্য বে-আইনে ভাবে এসকেএস বাজারে হাট বসিয়েছে। যার ফলে কাশিয়াবাড়ি হাটে ক্রয়-বিক্রয় কমে গেছে এবং আমি ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছি। তাই প্রতিকারের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য হায়দার আলী বলেন, তিনি হাটে কোন চাঁদা বা টোল তুলেননি এবং এ সর্ম্পকে কিছু জানি না। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন হাটে কেউ অবৈধভাবে টোল তুলেনা। রাতে পাহারাদারের জন্য সপ্তাহে একদিন করে ব্যবসায়ীরা কিছু অর্থ তাকে সহযোগীতা করে। এছাড়া হাটটি সরকারিভাবে ইজারা প্রদানের জন্য ইউএনও অফিসে আবেদন করেছেন। একটি পক্ষ্য চাচ্ছেনা ইজারা দেওয়ার জন্য এ কারণে তারাই পাল্টা এ ধরণের বিভ্রান্তি ছড়ায়ে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।