বুড়িমারী আ’লীগের অফিস ভাংচুরের ঘটনায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল পুড়ে ছাই

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , লালমনিরহাট

5 March, 2019 -> 11:38 am.

পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী আ’লীগের অফিস ভাংচুরের ঘটনায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল পুড়ে দিয়েছে পুড়ে দিয়েছে নৌকার কর্মী-সমর্থরা। মঙ্গলবার(৫ মার্চ)রাত ৯টার দিকে বুড়িমারী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অফিসের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষনিক পাটগ্রাম শহরের প্রবেশ দ্বাড় কলেজ গেটে লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে আনারস প্রতিকের কর্মী সমর্থকরা। এ সময় তারা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে হামলার দুষ্ট বিচার দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় লালমনিরহাট-বুড়ীমারী মহাসড়কের দুই দিকে সহ¯্রাধিক পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহি পরিবহন আটকা পড়ে মারাত্মক জনদূর্ভোগ সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে সতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী (আনারস) মোঃ ওয়াজেদুল ইসলাম শাহীন নির্বাচনী অফিসে সভা শেষে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর নৌকার কিছু কর্মী-সমর্থক লাঠি-সোঠা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালালে দুই পক্ষের পাল্টা পাল্টি লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। পরে আবারো সংঘর্ষের বাধঁলে দুই পক্ষের অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। আতংকে মুহুর্তেই বুড়িমারী স্থলবন্ধরের বাজারের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।এদিকে পুলিশ খবর পেয়ে অতিরক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।’ প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ও জাহিদুল ইসলাম ঘটনার বর্ণনা করে বলেন, ‘এই স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাররা পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবে। কে কার পক্ষে কাজ করবে কি করবে না, এটা নিয়ে কেন মারামারি বা উত্তেজনা ছড়ানো হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত অবস্থায় পড়েছে। আস্থা ফেরাতে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করার দাবি ব্যবসায়ীদের।’ এ হামলার ঘটনায় মোতাহার, তামজিদ ও সুমন নামে তিনজন আহত হয়েছে বলে বুড়িমারী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আনারস প্রতীকের প্রার্থী ওয়াজেদুল ইসলাম শাহীন বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা মেনে আমরা কর্মী-সমর্থকরা প্রচার-প্রচারণা করা হচ্ছে। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমীন বাবুল হুমকি-ধামকি ও উষ্কানিমুলক বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি খারাপ করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। পাটগ্রাম থানার ওসি আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলা নির্বাচনের দুই প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা চলছে। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ বলেন, ‘ইতিমধ্যে পাটগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তাকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া সেখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনগণের অংশগ্রহন মুলুক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে নিশ্চিদ্্র নিরাপত্তা বলয় তৈরির কাজ চলছে।’