বর্ষায় তৎপর হলেও শুস্ক মৌসুমে নিস্ক্রিয় গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ড

নিউজ ডেক্স

রংপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম , গাইবান্ধা

5 March, 2019 -> 2:21 am.

প্রাকৃতিক দুর্যোগ নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে প্রতিবছর সর্বশান্ত হচ্ছে মঙ্গ কবলিত গাইবান্ধা জেলার নদী তীরবর্তী এলাকার শতশত মানুষ। বাপ-দাদার ভিটামাটি হারিয়ে বাঁধ কিংবা অন্যের বাড়ীতে পরিবার-পরিজন নিয়ে কোন রকমে দিন যাপন করছে নদী ভাঙ্গনের শিকার হওয়া মানুষগুলো। ভূক্তভোগিদের অভিযোগ নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে কেবল বর্ষা মৌসুমে তৎপর হলেও শুস্ক মৌসুমে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকে পানি উন্নয়ন বোর্ড। সঠিক সময়ে কাজ না করলে ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় বলে অভিমত এলাকাবাসীর। যখন ভাঙ্গন শুরু হয় তখন পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বস্তা ফেলা হয়। বর্ষা শেষ হলে তাদের আর কোন তৎপরতা দেখা যায় না। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, প্রকল্প অনুমোদন না হলে কিছুই করার নেই তাদের। ব্রক্ষ্মপুত্র ও তিস্তার ভাঙ্গনে মূহর্তেই নদীগর্ভে হারিয়ে যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,বাড়িঘর,গাছপালা,আবাদি জমি ও রাস্তাঘাট। অদৃশ্য হয়ে যায় চিরচেনা গ্রাম। ভিটামাটি হারিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক বন্ধন ছিন্ন করে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে অসহায় এ মানুষগুলো। দরিদ্রের ঝাপড়ি ঘর থেকে শুরু করে ধনীর ই্ট,কাঠ ও পাথরের তৈরী দালান কোঠা পর্যন্ত রক্ষা পায় না ব্রক্ষ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর ভয়াল ছোবল থেকে। নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে এই জনপদ রক্ষায় বর্ষা ও শুস্ক মৌসুমে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের দাবি স্থানীয়দের। বর্ষা মৌসুমে গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলার বেশ কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙ্গন দেখা দেয়। এছাড়াও গাইবান্ধায় ব্রক্ষ্মপুত্র নদের ডানতীরে ৭৮ কিলোমিটার বাঁধের কয়েকটি স্থান ঝুঁকিপূর্ন হলেও সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই।